রাজধানীর বিভিন্ন থানায় দায়ের করা সাতটি মামলার মধ্যে একটিতে জামিন পেয়েছেন সাবেক মন্ত্রী ও রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত দল আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি। তবে বাকি ছয়টি মামলায় তাকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।
এ সংক্রান্ত জামিন আবেদনের শুনানি নিয়ে বুধবার (৩ জুন) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. খায়রুল আলম এবং বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করে।
এর আগে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় দায়ের হওয়া এই সাতটি মামলায় হাইকোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন দীপু মনি। সেই জামিন আবেদনের ওপর গতকাল মঙ্গলবার (২ জুন) উভয় পক্ষের শুনানি শেষ হয়। শুনানি শেষে আদালত আদেশের জন্য আজ বুধবার দিন ধার্য করেছিল। তারই ধারাবাহিকতায় আজ আদালত এই আদেশ দেয়।
এর আগে, ডা. দীপু মনি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরের শাসনামলে বিভিন্ন মেয়াদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের মুখে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর, ওই বছরের ১৯ আগস্ট রাতে রাজধানীর বারিধারা এলাকা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে হত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ, দুর্নীতি ও সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগসহ প্রায় ৩৮টিরও বেশি মামলা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
রাজধানীর বিভিন্ন থানায় দায়ের করা সাতটি মামলার মধ্যে একটিতে জামিন পেয়েছেন সাবেক মন্ত্রী ও রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত দল আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি। তবে বাকি ছয়টি মামলায় তাকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।
এ সংক্রান্ত জামিন আবেদনের শুনানি নিয়ে বুধবার (৩ জুন) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. খায়রুল আলম এবং বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করে।
এর আগে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় দায়ের হওয়া এই সাতটি মামলায় হাইকোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন দীপু মনি। সেই জামিন আবেদনের ওপর গতকাল মঙ্গলবার (২ জুন) উভয় পক্ষের শুনানি শেষ হয়। শুনানি শেষে আদালত আদেশের জন্য আজ বুধবার দিন ধার্য করেছিল। তারই ধারাবাহিকতায় আজ আদালত এই আদেশ দেয়।
এর আগে, ডা. দীপু মনি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরের শাসনামলে বিভিন্ন মেয়াদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের মুখে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর, ওই বছরের ১৯ আগস্ট রাতে রাজধানীর বারিধারা এলাকা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে হত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ, দুর্নীতি ও সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগসহ প্রায় ৩৮টিরও বেশি মামলা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন