রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা আলোচিত মামলার বিচারকাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) মামলাটিতে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন অনুষ্ঠিত হবে।
ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে আজ সকালে এই শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, আজ দুই পক্ষই তাদের নিজ নিজ দাবির সপক্ষে চূড়ান্ত বক্তব্য ও আইনি ব্যাখ্যা আদালতের সামনে তুলে ধরবেন। উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হওয়ার পর ট্রাইব্যুনাল এই বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণার দিনক্ষণ (তারিখ) নির্ধারণ করবেন।
এর আগে, গতকাল বুধবার (৩ জুন) আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থন করতে গিয়ে মামলার প্রধান অভিযুক্ত আসামি সোহেল রানা নিজের দোষ স্বীকার করেন এবং আদালতের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তবে এই মামলায় অভিযুক্ত তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুন নিজের দোষ অস্বীকার করে দাবি করেন তিনি নির্দোষ।
স্পেশাল ট্রাইব্যুনালে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে এই মামলার বিচারকাজ পরিচালিত হচ্ছে। গত ১ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে এই মামলার বিচার শুরু হয়। পরদিন ২ জুন রামিসার পরিবার, প্রত্যক্ষদর্শী, দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা, ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক এবং তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ মোট ১৬ জন সাক্ষী আদালতে তাদের সাক্ষ্য প্রদান করেন।
আজ যুক্তিতর্ক শেষ হলে চাঞ্চল্যকর এই শিশু হত্যা মামলার রায় ঘোষণার অপেক্ষা মাত্র।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা আলোচিত মামলার বিচারকাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) মামলাটিতে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন অনুষ্ঠিত হবে।
ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে আজ সকালে এই শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, আজ দুই পক্ষই তাদের নিজ নিজ দাবির সপক্ষে চূড়ান্ত বক্তব্য ও আইনি ব্যাখ্যা আদালতের সামনে তুলে ধরবেন। উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হওয়ার পর ট্রাইব্যুনাল এই বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণার দিনক্ষণ (তারিখ) নির্ধারণ করবেন।
এর আগে, গতকাল বুধবার (৩ জুন) আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থন করতে গিয়ে মামলার প্রধান অভিযুক্ত আসামি সোহেল রানা নিজের দোষ স্বীকার করেন এবং আদালতের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তবে এই মামলায় অভিযুক্ত তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুন নিজের দোষ অস্বীকার করে দাবি করেন তিনি নির্দোষ।
স্পেশাল ট্রাইব্যুনালে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে এই মামলার বিচারকাজ পরিচালিত হচ্ছে। গত ১ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে এই মামলার বিচার শুরু হয়। পরদিন ২ জুন রামিসার পরিবার, প্রত্যক্ষদর্শী, দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা, ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক এবং তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ মোট ১৬ জন সাক্ষী আদালতে তাদের সাক্ষ্য প্রদান করেন।
আজ যুক্তিতর্ক শেষ হলে চাঞ্চল্যকর এই শিশু হত্যা মামলার রায় ঘোষণার অপেক্ষা মাত্র।

আপনার মতামত লিখুন