নোটিশে উল্লেখ করা হয়, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা গেছে যে ধর্ষণের শিকার এক কিশোরীর ছবি চকরিয়া থানার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়েছে। এই ঘটনার জন্য চকরিয়া থানার ওসি মনির হোসেনের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠেছে, যা উচ্চ আদালতের নির্দেশনার সরাসরি পরিপন্থি এবং ভুক্তভোগীর মানসিক ও সামাজিক নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছে।
এই বিষয়ে আইনজীবী জুলফিকার আলী জুনু বলেন, “ধর্ষণ বা যৌন নিপীড়নের শিকার কোনো ব্যক্তির পরিচয় বা ছবি প্রকাশ করা আইন ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। হাইকোর্ট বিভাগের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে যে, ভিকটিমের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তার পরিচয় গোপন রাখতে হবে। চকরিয়া থানায় যা ঘটেছে, তা দায়িত্বহীন আচরণের পরিচয় দেয়।”
আইনি নোটিশে এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের জন্য পাঁচ দফা দাবি জানানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে: ঘটনার বিষয়ে দ্রুত একটি উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করা, তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে ওসি ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে ভিকটিমের ছবি ও পরিচয় দ্রুত সরিয়ে ফেলা, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে পুলিশের সব ইউনিটের জন্য বিশেষ নির্দেশনা জারি করা এবং নোটিশ পাওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে নোটিশদাতাকে অবহিত করা।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব দাবি পূরণ না হলে জনস্বার্থে এবং সংবিধান প্রদত্ত অধিকার রক্ষায় হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হবে বলেও নোটিশে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা গেছে যে ধর্ষণের শিকার এক কিশোরীর ছবি চকরিয়া থানার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়েছে। এই ঘটনার জন্য চকরিয়া থানার ওসি মনির হোসেনের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠেছে, যা উচ্চ আদালতের নির্দেশনার সরাসরি পরিপন্থি এবং ভুক্তভোগীর মানসিক ও সামাজিক নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছে।
এই বিষয়ে আইনজীবী জুলফিকার আলী জুনু বলেন, “ধর্ষণ বা যৌন নিপীড়নের শিকার কোনো ব্যক্তির পরিচয় বা ছবি প্রকাশ করা আইন ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। হাইকোর্ট বিভাগের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে যে, ভিকটিমের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তার পরিচয় গোপন রাখতে হবে। চকরিয়া থানায় যা ঘটেছে, তা দায়িত্বহীন আচরণের পরিচয় দেয়।”
আইনি নোটিশে এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের জন্য পাঁচ দফা দাবি জানানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে: ঘটনার বিষয়ে দ্রুত একটি উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করা, তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে ওসি ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে ভিকটিমের ছবি ও পরিচয় দ্রুত সরিয়ে ফেলা, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে পুলিশের সব ইউনিটের জন্য বিশেষ নির্দেশনা জারি করা এবং নোটিশ পাওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে নোটিশদাতাকে অবহিত করা।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব দাবি পূরণ না হলে জনস্বার্থে এবং সংবিধান প্রদত্ত অধিকার রক্ষায় হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হবে বলেও নোটিশে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন