রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার চাঞ্চল্যকর মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শুরু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার
(৪ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কড়া পুলিশি পাহারায় আসামিদের ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা
দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর সকাল ১১টা ৪৫
মিনিটে বিচারক এজলাসে উঠলে মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শুরু হয়।
আদালত সূত্রে
জানা গেছে, আজ সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কারাগার
থেকে মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নিয়ে আসা হয়। পরবর্তীতে বেলা ১১টা ২১ মিনিটে
প্রথমে সোহেল রানাকে এবং এর কিছু ক্ষণ পর স্বপ্নাকে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে
তোলা হয়। সাড়ে ১১টায় বিচারক এজলাসে উপস্থিত হওয়ার পর আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়।
আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ
যুক্তিতর্ক শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে অংশ নিচ্ছেন মামলার বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি)
আজিজুর রহমান দুলু। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনি লড়াই লড়ছেন রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী
মুছা কালিমুল্যাহ।
এর আগে, গত
১ জুন রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বাদী আবদুল হান্নান মোল্লাসহ ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে
হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেছিলেন ট্রাইব্যুনাল। বিচারিক প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায়
গতকাল বুধবার (৩ জুন) ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত ঘোষণা করেন আদালত।
উল্লেখ্য, গত
২৪ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান আসামি সোহেল রানা ও তার
স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন। আদালত
চার্জশিটটি আমলে নিয়ে মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে
বদলির আদেশ দেন। একই দিনে ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন অভিযোগপত্রটি আমলে
নিয়ে গত ১ জুন অভিযোগ গঠনের দিন ধার্য করেছিলেন।
নির্মম এই শিশু
হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দ্রুততম সময়ে বিচার সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আদালতের এই কার্যক্রমকে
ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার চাঞ্চল্যকর মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শুরু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার
(৪ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কড়া পুলিশি পাহারায় আসামিদের ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা
দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর সকাল ১১টা ৪৫
মিনিটে বিচারক এজলাসে উঠলে মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শুরু হয়।
আদালত সূত্রে
জানা গেছে, আজ সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে কারাগার
থেকে মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নিয়ে আসা হয়। পরবর্তীতে বেলা ১১টা ২১ মিনিটে
প্রথমে সোহেল রানাকে এবং এর কিছু ক্ষণ পর স্বপ্নাকে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে
তোলা হয়। সাড়ে ১১টায় বিচারক এজলাসে উপস্থিত হওয়ার পর আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়।
আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ
যুক্তিতর্ক শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে অংশ নিচ্ছেন মামলার বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি)
আজিজুর রহমান দুলু। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনি লড়াই লড়ছেন রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী
মুছা কালিমুল্যাহ।
এর আগে, গত
১ জুন রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বাদী আবদুল হান্নান মোল্লাসহ ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে
হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেছিলেন ট্রাইব্যুনাল। বিচারিক প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায়
গতকাল বুধবার (৩ জুন) ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত ঘোষণা করেন আদালত।
উল্লেখ্য, গত
২৪ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান আসামি সোহেল রানা ও তার
স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন। আদালত
চার্জশিটটি আমলে নিয়ে মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে
বদলির আদেশ দেন। একই দিনে ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন অভিযোগপত্রটি আমলে
নিয়ে গত ১ জুন অভিযোগ গঠনের দিন ধার্য করেছিলেন।
নির্মম এই শিশু
হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দ্রুততম সময়ে বিচার সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আদালতের এই কার্যক্রমকে
ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন