গ্রীষ্মের শুরুতেই কুষ্টিয়ার বাজারে ফ্যান, এয়ার কুলার, রিচার্জেবল ফ্যান, পানির বোতল ও ছাতাসহ গরমে ব্যবহৃত পণ্যের চাহিদা ব্যাপক বেড়েছে। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী পণ্যের দাম অস্বাভাবিক বাড়িয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে সীমিত আয়ের মানুষের পক্ষে এসব প্রয়োজনীয় পণ্য কেনা দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে।
কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন ইলেকট্রনিকস পণ্যের দোকান ঘুরে দেখা যায়, কয়েক মাস আগে যে ফ্যান ১,৫০০ টাকায় পাওয়া যেত, তাপদাহ শুরু হতেই তার দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকায়। একইভাবে ছাতা, পানির জার ও কুলারের দামও চড়া।
ক্রেতাদের অভিযোগ, গরম পড়ার সুযোগ নিয়ে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে দাম বাড়িয়েছেন। তারা বলেন, ‘আগে যে ফ্যান ১,৮০০ থেকে ১,৯০০ টাকায় পাওয়া যেত, এখন তার দাম অনেক বেশি চাওয়া হচ্ছে। দাম কিছুটা কমলে সাধারণ মানুষের জন্য সুবিধা হতো।’
তবে ব্যবসায়ীরা দাম বৃদ্ধির জন্য উৎপাদনকারী কোম্পানি ও পাইকারি বাজারকে দায়ী করছেন। তাদের দাবি, সরবরাহ কম থাকায় এবং পাইকারি বাজারে দাম বাড়ায় খুচরা পর্যায়েও এর প্রভাব পড়েছে।
এ বিষয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কুষ্টিয়ার সহকারী পরিচালক মাসুম আলী বলেন, ‘তাপদাহের সুযোগ নিয়ে কেউ যদি অস্বাভাবিক দাম বাড়ায়, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। লিখিত অভিযোগ পেলে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিই। বাজার তদারকি ও অভিযোগের ওপর শুনানি নিয়মিত চলছে।’
সাধারণ মানুষ বাজারে কঠোর নজরদারি বাড়িয়ে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
গ্রীষ্মের শুরুতেই কুষ্টিয়ার বাজারে ফ্যান, এয়ার কুলার, রিচার্জেবল ফ্যান, পানির বোতল ও ছাতাসহ গরমে ব্যবহৃত পণ্যের চাহিদা ব্যাপক বেড়েছে। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী পণ্যের দাম অস্বাভাবিক বাড়িয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে সীমিত আয়ের মানুষের পক্ষে এসব প্রয়োজনীয় পণ্য কেনা দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে।
কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন ইলেকট্রনিকস পণ্যের দোকান ঘুরে দেখা যায়, কয়েক মাস আগে যে ফ্যান ১,৫০০ টাকায় পাওয়া যেত, তাপদাহ শুরু হতেই তার দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকায়। একইভাবে ছাতা, পানির জার ও কুলারের দামও চড়া।
ক্রেতাদের অভিযোগ, গরম পড়ার সুযোগ নিয়ে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে দাম বাড়িয়েছেন। তারা বলেন, ‘আগে যে ফ্যান ১,৮০০ থেকে ১,৯০০ টাকায় পাওয়া যেত, এখন তার দাম অনেক বেশি চাওয়া হচ্ছে। দাম কিছুটা কমলে সাধারণ মানুষের জন্য সুবিধা হতো।’
তবে ব্যবসায়ীরা দাম বৃদ্ধির জন্য উৎপাদনকারী কোম্পানি ও পাইকারি বাজারকে দায়ী করছেন। তাদের দাবি, সরবরাহ কম থাকায় এবং পাইকারি বাজারে দাম বাড়ায় খুচরা পর্যায়েও এর প্রভাব পড়েছে।
এ বিষয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কুষ্টিয়ার সহকারী পরিচালক মাসুম আলী বলেন, ‘তাপদাহের সুযোগ নিয়ে কেউ যদি অস্বাভাবিক দাম বাড়ায়, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। লিখিত অভিযোগ পেলে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিই। বাজার তদারকি ও অভিযোগের ওপর শুনানি নিয়মিত চলছে।’
সাধারণ মানুষ বাজারে কঠোর নজরদারি বাড়িয়ে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন