রাজধানীর পল্লবীতে আলোচিত শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায়ে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি জানিয়েছেন, দেশের ইতিহাসে প্রথমবার মাত্র ৬ কার্যদিবসের মধ্যে আইনের সব ধাপ মেনে এই বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। ঘোষিত শাস্তিতে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি আশা ব্যক্ত করেন যে, উচ্চ আদালতেও এই রায় বহাল থাকবে।
আজ রোববার
(৭ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী
বলেন, "রামিসার ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডটি জাতির জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক ও ভারাক্রান্ত
হওয়ার মতো একটি ঘটনা। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক মাসের মধ্যে এই বিচার প্রক্রিয়া
সম্পন্ন করার বিষয়ে আশাবাদী ছিলেন। আমরা মাত্র ৬ কার্যদিবসের মধ্যে এই ঐতিহাসিক বিচার
সম্পন্ন করতে পেরেছি, যা বাংলাদেশে প্রথম।"
মামলার পরবর্তী
আইনি পদক্ষেপ নিয়ে আইনমন্ত্রী জানান, আগামী ৭ দিনের মধ্যে রামিসা হত্যাকাণ্ডের ডেথ
রেফারেন্স ফাইল উচ্চ আদালতে পাঠানো হবে। এরপর দ্রুত পেপারবুক তৈরি করে মামলাটি বিচারের
তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
তিনি আরও বলেন,
"উচ্চ আদালত খোলার পর রামিসা, সিনহা, আছিয়া ও রাজনের মতো দ্রুত বিচার হওয়া মামলাগুলো
যেন উচ্চ আদালতেও দ্রুত নিষ্পত্তি হয়, সেই আবেদন জানানো হবে। সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট
বেঞ্চ যদি এই মামলাটিকে অগ্রাধিকার দিয়ে শুনানি করেন, তবে আগামী ৩ মাসের মধ্যে চূড়ান্ত
রায় কার্যকর করা সম্ভব হবে বলে আমি প্রত্যাশা করি।"
আজ রোববার
(৭ জুন) রাজধানীর পল্লবীতে আলোচিত শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল
রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আদালত প্রধান
আসামি সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে ২ লাখ টাকা জরিমানা
করার রায় প্রদান করেন।

রোববার, ০৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীতে আলোচিত শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায়ে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি জানিয়েছেন, দেশের ইতিহাসে প্রথমবার মাত্র ৬ কার্যদিবসের মধ্যে আইনের সব ধাপ মেনে এই বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। ঘোষিত শাস্তিতে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি আশা ব্যক্ত করেন যে, উচ্চ আদালতেও এই রায় বহাল থাকবে।
আজ রোববার
(৭ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী
বলেন, "রামিসার ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডটি জাতির জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক ও ভারাক্রান্ত
হওয়ার মতো একটি ঘটনা। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক মাসের মধ্যে এই বিচার প্রক্রিয়া
সম্পন্ন করার বিষয়ে আশাবাদী ছিলেন। আমরা মাত্র ৬ কার্যদিবসের মধ্যে এই ঐতিহাসিক বিচার
সম্পন্ন করতে পেরেছি, যা বাংলাদেশে প্রথম।"
মামলার পরবর্তী
আইনি পদক্ষেপ নিয়ে আইনমন্ত্রী জানান, আগামী ৭ দিনের মধ্যে রামিসা হত্যাকাণ্ডের ডেথ
রেফারেন্স ফাইল উচ্চ আদালতে পাঠানো হবে। এরপর দ্রুত পেপারবুক তৈরি করে মামলাটি বিচারের
তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
তিনি আরও বলেন,
"উচ্চ আদালত খোলার পর রামিসা, সিনহা, আছিয়া ও রাজনের মতো দ্রুত বিচার হওয়া মামলাগুলো
যেন উচ্চ আদালতেও দ্রুত নিষ্পত্তি হয়, সেই আবেদন জানানো হবে। সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট
বেঞ্চ যদি এই মামলাটিকে অগ্রাধিকার দিয়ে শুনানি করেন, তবে আগামী ৩ মাসের মধ্যে চূড়ান্ত
রায় কার্যকর করা সম্ভব হবে বলে আমি প্রত্যাশা করি।"
আজ রোববার
(৭ জুন) রাজধানীর পল্লবীতে আলোচিত শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল
রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আদালত প্রধান
আসামি সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে ২ লাখ টাকা জরিমানা
করার রায় প্রদান করেন।

আপনার মতামত লিখুন