প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
মঙ্গলবার
(৯ জুন) ঢাকা সেনানিবাসে
অবস্থিত সশস্ত্রবাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত
হয়। মার্কিন রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি
প্রতিনিধি দল এই সাক্ষাতে
অংশ নেন।
আন্তঃবাহিনী
জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে
আজ এই তথ্য জানানো
হয়েছে।
আইএসপিআর
জানায়, বৈঠকে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের
মধ্যকার বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট
বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা
হয়। বিশেষ করে দুই দেশের
মধ্যে সামরিক পর্যায়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম
সম্প্রসারণের বিষয়ে তারা বিস্তারিত আলোচনা
করেন।
সাক্ষাৎকালে
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে
দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন।
একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ
করেন যে, প্রতিরক্ষা খাতে
দুই দেশের এই সহযোগিতা আগামী
দিনে আরও বেগবান হবে।
বৈঠকে
মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর উচ্চ পেশাদারিত্ব এবং
আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের অসামান্য অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
সংশ্লিষ্টরা
আশা করছেন, এই সৌজন্য সাক্ষাৎ
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার
প্রতিরক্ষা বিষয়ক সহযোগিতা এবং দুই দেশের
বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও
সম্প্রসারিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
রাখবে।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
মঙ্গলবার
(৯ জুন) ঢাকা সেনানিবাসে
অবস্থিত সশস্ত্রবাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত
হয়। মার্কিন রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি
প্রতিনিধি দল এই সাক্ষাতে
অংশ নেন।
আন্তঃবাহিনী
জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে
আজ এই তথ্য জানানো
হয়েছে।
আইএসপিআর
জানায়, বৈঠকে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের
মধ্যকার বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট
বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা
হয়। বিশেষ করে দুই দেশের
মধ্যে সামরিক পর্যায়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম
সম্প্রসারণের বিষয়ে তারা বিস্তারিত আলোচনা
করেন।
সাক্ষাৎকালে
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে
দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন।
একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ
করেন যে, প্রতিরক্ষা খাতে
দুই দেশের এই সহযোগিতা আগামী
দিনে আরও বেগবান হবে।
বৈঠকে
মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর উচ্চ পেশাদারিত্ব এবং
আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের অসামান্য অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
সংশ্লিষ্টরা
আশা করছেন, এই সৌজন্য সাক্ষাৎ
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার
প্রতিরক্ষা বিষয়ক সহযোগিতা এবং দুই দেশের
বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও
সম্প্রসারিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন