বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদীয় বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
মঙ্গলবার (৯
জুন) সকাল সাড়ে ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনে বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত
হয়। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বৈঠকে মার্কিন
রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক
কাউন্সেলর এরিক গিলান এবং রাজনৈতিক কর্মকর্তা হারমানোশি বার্নার্ড।
বিজ্ঞপ্তিতে
বলা হয়, সাক্ষাৎটি অত্যন্ত আন্তরিক, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত
হয়েছে। বৈঠকে নির্বাচন-পরবর্তী দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, আসন্ন
জাতীয় বাজেট, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের
বিভিন্ন দিকসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে ফলপ্রসূ মতবিনিময় করা হয়।
এ ছাড়া দেশের
গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহের বিকাশ, সুশাসন নিশ্চিতকরণ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি
এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয় নিয়ে দুই নেতার মধ্যে আলোচনা হয়।
উভয় পক্ষই পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে দুই দেশের বিদ্যমান সম্পর্ককে
ভবিষ্যতে আরও জোরদার করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে বিরোধীদলীয়
নেতার পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন তাঁর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ
বিন কাসেম আরমান এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা দলের সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদীয় বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
মঙ্গলবার (৯
জুন) সকাল সাড়ে ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনে বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত
হয়। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বৈঠকে মার্কিন
রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক
কাউন্সেলর এরিক গিলান এবং রাজনৈতিক কর্মকর্তা হারমানোশি বার্নার্ড।
বিজ্ঞপ্তিতে
বলা হয়, সাক্ষাৎটি অত্যন্ত আন্তরিক, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত
হয়েছে। বৈঠকে নির্বাচন-পরবর্তী দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, আসন্ন
জাতীয় বাজেট, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের
বিভিন্ন দিকসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে ফলপ্রসূ মতবিনিময় করা হয়।
এ ছাড়া দেশের
গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহের বিকাশ, সুশাসন নিশ্চিতকরণ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি
এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয় নিয়ে দুই নেতার মধ্যে আলোচনা হয়।
উভয় পক্ষই পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে দুই দেশের বিদ্যমান সম্পর্ককে
ভবিষ্যতে আরও জোরদার করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে বিরোধীদলীয়
নেতার পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন তাঁর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ
বিন কাসেম আরমান এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা দলের সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর।

আপনার মতামত লিখুন