বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের (১১ বিজিবি) উদ্যোগে দুর্গম পাহাড়ি এলাকার অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী, ওষুধ এবং শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নে এই মানবিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
১১ বিজিবির জোন কমান্ডার লেফট্যানেন্ট কর্নেল ফয়জুর করিমের নেতৃত্বে স্থানীয় লোকজনের জন্য একটি বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। ক্যাম্পে আগত রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করা হয়। এছাড়া এলাকার শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সহায়ক সামগ্রী ও খেলাধুলার সরঞ্জাম এবং দরিদ্র পরিবারগুলোর মাঝে খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী দুর্গম অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় সহায়তা প্রদানই এর মূল লক্ষ্য।
লেফট্যানেন্ট কর্নেল ফয়জুর করিম বলেন, “সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিজিবি সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকে। স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে এবং জনকল্যাণে আমাদের এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
মানবিক এই কার্যক্রমে বিজিবি সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। বিজিবির এই উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের (১১ বিজিবি) উদ্যোগে দুর্গম পাহাড়ি এলাকার অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী, ওষুধ এবং শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নে এই মানবিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
১১ বিজিবির জোন কমান্ডার লেফট্যানেন্ট কর্নেল ফয়জুর করিমের নেতৃত্বে স্থানীয় লোকজনের জন্য একটি বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। ক্যাম্পে আগত রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করা হয়। এছাড়া এলাকার শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সহায়ক সামগ্রী ও খেলাধুলার সরঞ্জাম এবং দরিদ্র পরিবারগুলোর মাঝে খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী দুর্গম অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় সহায়তা প্রদানই এর মূল লক্ষ্য।
লেফট্যানেন্ট কর্নেল ফয়জুর করিম বলেন, “সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিজিবি সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকে। স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে এবং জনকল্যাণে আমাদের এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
মানবিক এই কার্যক্রমে বিজিবি সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। বিজিবির এই উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আপনার মতামত লিখুন