বিশ্বকাপের জ্বর এখন তুঙ্গে, উত্তেজনার পারদ চড়ছে প্রতিটি ফুটবলপ্রেমীর হৃদয়ে। উদ্বেধনী ম্যাচে অন্যতম আয়োজক মেক্সিকোর প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা। খেলাটি শুরু হবে মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক স্টেডিয়ামে রাত ১টায়। এই ম্যাচ দিয়েই পর্দা উঠবে আসরের। বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচটি ফিরিয়ে আনছে ২০১০ সালের স্মৃতিও। সেবারও দক্ষিণ আফ্রিকা খেলেছিল উদ্বোধনী ম্যাচে।
তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা
ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই আসরকে ঘিরে ইতোমধ্যেই উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে পুরো মেক্সিকো
জুড়ে।
প্রথম দিনের চাপ সামাল দিতে রাজধানীরসব
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি কর্মীদের বড় একটি অংশকে বাসা
থেকে কাজ করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। কারণটাও স্বাভাবিক। এদিন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত
থেকে আসা হাজারো সমর্থক, পর্যটক, সাংবাদিক, ফিফা কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদলের
উপস্থিতিতে শহরজুড়ে ব্যাপক চাপ তৈরি হবে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সেদিন মেক্সিকো
সিটির সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। কিন্ডারগার্টেন, স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়সব
পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হবে। এই নির্দেশনা সরকারি-বেসরকারি
উভয় ধরনের প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য। যার ফলে রাজধানীর রাস্তায় হাজারো স্কুলবাস ও
ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ কমে যাবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ। এতে করে বিশ্বকাপ শুরুর দিনে
শহরের পরিবহন ব্যবস্থা তুলনামূলকভাবে স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে।
সব মিলিয়ে বিশ্বকাপ ঘিরে প্রস্তুতির
প্রতিটি পদক্ষেপই এখন এক নতুন ইতিহাসের অংশ হয়ে উঠছে।

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
বিশ্বকাপের জ্বর এখন তুঙ্গে, উত্তেজনার পারদ চড়ছে প্রতিটি ফুটবলপ্রেমীর হৃদয়ে। উদ্বেধনী ম্যাচে অন্যতম আয়োজক মেক্সিকোর প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা। খেলাটি শুরু হবে মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক স্টেডিয়ামে রাত ১টায়। এই ম্যাচ দিয়েই পর্দা উঠবে আসরের। বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচটি ফিরিয়ে আনছে ২০১০ সালের স্মৃতিও। সেবারও দক্ষিণ আফ্রিকা খেলেছিল উদ্বোধনী ম্যাচে।
তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা
ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই আসরকে ঘিরে ইতোমধ্যেই উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে পুরো মেক্সিকো
জুড়ে।
প্রথম দিনের চাপ সামাল দিতে রাজধানীরসব
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি কর্মীদের বড় একটি অংশকে বাসা
থেকে কাজ করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। কারণটাও স্বাভাবিক। এদিন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত
থেকে আসা হাজারো সমর্থক, পর্যটক, সাংবাদিক, ফিফা কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদলের
উপস্থিতিতে শহরজুড়ে ব্যাপক চাপ তৈরি হবে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সেদিন মেক্সিকো
সিটির সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। কিন্ডারগার্টেন, স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়সব
পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হবে। এই নির্দেশনা সরকারি-বেসরকারি
উভয় ধরনের প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য। যার ফলে রাজধানীর রাস্তায় হাজারো স্কুলবাস ও
ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ কমে যাবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ। এতে করে বিশ্বকাপ শুরুর দিনে
শহরের পরিবহন ব্যবস্থা তুলনামূলকভাবে স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে।
সব মিলিয়ে বিশ্বকাপ ঘিরে প্রস্তুতির
প্রতিটি পদক্ষেপই এখন এক নতুন ইতিহাসের অংশ হয়ে উঠছে।

আপনার মতামত লিখুন