আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের স্বাস্থ্য খাতের জন্য মোট ৬২ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বিগত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় এবারের প্রস্তাবিত বরাদ্দ ২০ হাজার ৯৪৪ কোটি টাকা বেশি। বিদায়ী অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এই খাতে বরাদ্দ ছিল ৩৪ হাজার ৭৯৮ কোটি টাকা।
৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এই বিশাল বাজেটে স্বাস্থ্যসেবাকে আধুনিকায়ন ও সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে দুই বিভাগে বরাদ্দ ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়ানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য খাতের মূল চালিকাশক্তি স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের জন্য এবার ৪৯ হাজার ৩৮৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এই বরাদ্দ আগের বছরের সংশোধিত বাজেট (২১ হাজার ৯৩৩ কোটি টাকা) এবং মূল বাজেটের (১৪ হাজার ৭৬৩ কোটি টাকা) চেয়ে অনেক বেশি।
স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উন্নয়ন খাতের জন্য ২৬ হাজার ৮০৫ কোটি টাকা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২৬ হাজার ৮০৬ কোটি টাকা।
এই বিভাগে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রকৃত ব্যয় ছিল মাত্র ২ হাজার ১ কোটি টাকা। আর ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মূল বাজেটে ১১ হাজার ৬১৭ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেও সংশোধিত বাজেটে তা এক ধাক্কায় ৩ হাজার ১১৮ কোটি টাকায় নেমে এসেছিল।
চিকিৎসা শিক্ষা ও পরিবার পরিকল্পনার প্রসারে এই বিভাগের জন্য মোট ১৩ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।
আগের বছরের সংশোধিত বাজেটে এখানে বরাদ্দ ছিল ৬ হাজার ১২১ কোটি টাকা এবং মূল বাজেটে ছিল ৪ Scolar ২৬৮ কোটি টাকা। সেই তুলনায় এবার বরাদ্দ দ্বিগুণ করা হয়েছে।
এই বিভাগের উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৮ হাজার ২২১ কোটি টাকা এবং এডিপি বরাদ্দও ধরা হয়েছে সমান অর্থাৎ ৮ হাজার ২২১ কোটি টাকা।
২০২৩-২৪ অর্থবছরে এই বিভাগে প্রকৃত ব্যয় হয়েছিল মাত্র ৪১২ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মূল বাজেটে ৫ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হলেও সংশোধিত বাজেটে তা ১ হাজার ৩৪৬ কোটি টাকায় কমিয়ে আনা হয়েছিল।
আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে স্বাস্থ্য খাতের এই দুই বিভাগ মিলিয়ে সম্মিলিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বরাদ্দ দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ২৬ কোটি টাকা।
সরকারের প্রস্তাবিত ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এই বিশাল বাজেটের বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে মোট ঘাটতি দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। এই বিশাল ঘাটতি পূরণে সরকার অভ্যন্তরীণ ব্যাংক ব্যবস্থা এবং বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে।

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের স্বাস্থ্য খাতের জন্য মোট ৬২ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বিগত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় এবারের প্রস্তাবিত বরাদ্দ ২০ হাজার ৯৪৪ কোটি টাকা বেশি। বিদায়ী অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এই খাতে বরাদ্দ ছিল ৩৪ হাজার ৭৯৮ কোটি টাকা।
৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এই বিশাল বাজেটে স্বাস্থ্যসেবাকে আধুনিকায়ন ও সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে দুই বিভাগে বরাদ্দ ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়ানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য খাতের মূল চালিকাশক্তি স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের জন্য এবার ৪৯ হাজার ৩৮৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এই বরাদ্দ আগের বছরের সংশোধিত বাজেট (২১ হাজার ৯৩৩ কোটি টাকা) এবং মূল বাজেটের (১৪ হাজার ৭৬৩ কোটি টাকা) চেয়ে অনেক বেশি।
স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উন্নয়ন খাতের জন্য ২৬ হাজার ৮০৫ কোটি টাকা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২৬ হাজার ৮০৬ কোটি টাকা।
এই বিভাগে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রকৃত ব্যয় ছিল মাত্র ২ হাজার ১ কোটি টাকা। আর ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মূল বাজেটে ১১ হাজার ৬১৭ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেও সংশোধিত বাজেটে তা এক ধাক্কায় ৩ হাজার ১১৮ কোটি টাকায় নেমে এসেছিল।
চিকিৎসা শিক্ষা ও পরিবার পরিকল্পনার প্রসারে এই বিভাগের জন্য মোট ১৩ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।
আগের বছরের সংশোধিত বাজেটে এখানে বরাদ্দ ছিল ৬ হাজার ১২১ কোটি টাকা এবং মূল বাজেটে ছিল ৪ Scolar ২৬৮ কোটি টাকা। সেই তুলনায় এবার বরাদ্দ দ্বিগুণ করা হয়েছে।
এই বিভাগের উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৮ হাজার ২২১ কোটি টাকা এবং এডিপি বরাদ্দও ধরা হয়েছে সমান অর্থাৎ ৮ হাজার ২২১ কোটি টাকা।
২০২৩-২৪ অর্থবছরে এই বিভাগে প্রকৃত ব্যয় হয়েছিল মাত্র ৪১২ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মূল বাজেটে ৫ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হলেও সংশোধিত বাজেটে তা ১ হাজার ৩৪৬ কোটি টাকায় কমিয়ে আনা হয়েছিল।
আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে স্বাস্থ্য খাতের এই দুই বিভাগ মিলিয়ে সম্মিলিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বরাদ্দ দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ২৬ কোটি টাকা।
সরকারের প্রস্তাবিত ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এই বিশাল বাজেটের বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে মোট ঘাটতি দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। এই বিশাল ঘাটতি পূরণে সরকার অভ্যন্তরীণ ব্যাংক ব্যবস্থা এবং বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে।

আপনার মতামত লিখুন