দীর্ঘদিনের দাঙ্গা ও সংঘাতের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার অঙ্গীকার করেছেন ফরিদপুরের সালথা উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দারা। এর অংশ হিসেবে বুধবার (১০ জুন) সন্ধ্যায় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গ্রামবাসী তাদের সংগ্রহে থাকা দেশীয় অস্ত্র স্বেচ্ছায় প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করেন।
এ সময় ২৩টি ঢাল ও সড়কি জমা দেওয়া হয়। ভয়ভীতি বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থার পরিবর্তে অস্ত্র জমা দিতে আসায় তাদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও সংবর্ধনা জানায় উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) ফাতেমা ইসলাম। তিনি বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে জনগণের অংশগ্রহণ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যারা স্বেচ্ছায় অস্ত্র জমা দিয়ে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেছেন, তারা অন্যদের জন্য ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।’
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন, সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেল) মুহম্মদ আল ফাহাদ ও পুলিশ পরিদর্শক ইন্দ্রজিৎ মল্লিক। এ ছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক নেতারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
বক্তারা বলেন, ভয়ভীতি বা শাস্তির পরিবর্তে সম্মান ও সামাজিক স্বীকৃতির মাধ্যমে মানুষকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল করে তোলা সম্ভব। সালথার এই উদ্যোগ সেই বিশ্বাসের এক বাস্তব প্রতিফলন। অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার সমাজে সহিংসতা ও অস্থিরতা বাড়ায়। নিরাপদ সমাজ গড়তে এমন জনসম্পৃক্ত উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, অস্ত্র জমাদানকারীদের সম্মান জানানোর মাধ্যমে প্রশাসন একটি মানবিক ও দূরদর্শী বার্তা দিয়েছে। এটি এলাকায় দীর্ঘমেয়াদি শান্তির পরিবেশ সুদৃঢ় করবে।
/

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
দীর্ঘদিনের দাঙ্গা ও সংঘাতের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার অঙ্গীকার করেছেন ফরিদপুরের সালথা উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দারা। এর অংশ হিসেবে বুধবার (১০ জুন) সন্ধ্যায় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গ্রামবাসী তাদের সংগ্রহে থাকা দেশীয় অস্ত্র স্বেচ্ছায় প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করেন।
এ সময় ২৩টি ঢাল ও সড়কি জমা দেওয়া হয়। ভয়ভীতি বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থার পরিবর্তে অস্ত্র জমা দিতে আসায় তাদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও সংবর্ধনা জানায় উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) ফাতেমা ইসলাম। তিনি বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে জনগণের অংশগ্রহণ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যারা স্বেচ্ছায় অস্ত্র জমা দিয়ে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেছেন, তারা অন্যদের জন্য ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।’
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন, সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেল) মুহম্মদ আল ফাহাদ ও পুলিশ পরিদর্শক ইন্দ্রজিৎ মল্লিক। এ ছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক নেতারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
বক্তারা বলেন, ভয়ভীতি বা শাস্তির পরিবর্তে সম্মান ও সামাজিক স্বীকৃতির মাধ্যমে মানুষকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল করে তোলা সম্ভব। সালথার এই উদ্যোগ সেই বিশ্বাসের এক বাস্তব প্রতিফলন। অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার সমাজে সহিংসতা ও অস্থিরতা বাড়ায়। নিরাপদ সমাজ গড়তে এমন জনসম্পৃক্ত উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, অস্ত্র জমাদানকারীদের সম্মান জানানোর মাধ্যমে প্রশাসন একটি মানবিক ও দূরদর্শী বার্তা দিয়েছে। এটি এলাকায় দীর্ঘমেয়াদি শান্তির পরিবেশ সুদৃঢ় করবে।
/

আপনার মতামত লিখুন