রাজ্যের নতুন প্রশাসনিক অধ্যায়ের সূচনা ঘটিয়ে অবশেষে প্রকাশিত হলো দপ্তর বণ্টনের বিজ্ঞপ্তি, আর সেই তালিকাকে ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল তুঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-র নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় রয়েছেন মোট ১৮ জন পূর্ণমন্ত্রী, ৩ জন প্রতিমন্ত্রী (স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত) এবং ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী, এবং দপ্তর বণ্টনের আগে পর্যন্ত সমস্ত প্রশাসনিক দায়িত্ব একাই সামলাচ্ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী, ফলে এবার দায়িত্ব ভাগ হলেও তিনি নিজের হাতেই রেখে দিয়েছেন প্রশাসনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী দপ্তরগুলি—স্বরাষ্ট্র, আইন ও বিচার, ভূমি ও ভূমিরাজস্ব, বিদ্যুৎ, তথ্য ও সংস্কৃতি এবং কর্মীবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার, যা স্পষ্টভাবে ক্ষমতার কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ তাঁর কাছেই রাখার ইঙ্গিত দেয়l
সূত্রের খবর, এই বণ্টনের আগে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য-র সঙ্গে একাধিক দফায় বৈঠক করেন তিনি এবং শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিলমোহরেই চূড়ান্ত হয় এই তালিকা, যার রাজনৈতিক তাৎপর্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ, অন্যদিকে মন্ত্রিত্ব বণ্টনে দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক ভারসাম্যের মিশেল—স্বাস্থ্য দপ্তর পেয়েছেন চিকিৎসক শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, শিল্প ও বাণিজ্যের দায়িত্বে তাপস রায়, অর্থমন্ত্রী হচ্ছেন স্বপন দাশগুপ্ত, উচ্চশিক্ষা পেয়েছেন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় এবং স্কুলশিক্ষার দায়িত্বে রয়েছেন উত্তরবঙ্গের বিধায়ক দীপক বর্মণ, প্রযুক্তি ও কৃষি সংশ্লিষ্ট একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর একসঙ্গে দেওয়া হয়েছে শিক্ষাবিদ কল্যাণী চক্রবর্তীকে, উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন ও জলসম্পদ দপ্তর পেয়েছেন নিশীথ প্রামাণিক, ক্রীড়া ও যুবকল্যাণের পাশাপাশি উপভোক্তা দপ্তরের দায়িত্বে ইন্দ্রনীল খাঁ, আর খাদ্য ও সরবরাহে অশোক কীর্তনিয়া, পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন সহ কৃষি বিপণনে বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ, আদিবাসী কল্যাণ ও সংখ্যালঘু দপ্তরে ক্ষুদিরাম টুডু, পুর ও নগরোন্নয়নে অগ্নিমিত্রা পাল, পর্যটনে শঙ্কর ঘোষ, পরিবেশ ও বনে মনোজ ওরাওঁ, শ্রম ও পরিবহনে অর্জুন সিং, অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণে গৌরীশঙ্কর ঘোষ, সেচে অরূপ দাস, জনস্বাস্থ্য ও পূর্তে অজয় পোদ্দার, কৃষিতে দুধকুমার মণ্ডল, নারী ও শিশু কল্যাণে মালতি রাভা রায় এবং মৎস্য দপ্তরে রাজেশ মাহাতো দায়িত্ব পেয়েছেন, সব মিলিয়ে এই দপ্তর বণ্টন একদিকে যেমন প্রশাসনিক কাজের ভাগাভাগি স্পষ্ট করছে, তেমনই অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর রেখে এক শক্তিশালী কেন্দ্রিক শাসন কাঠামোর ইঙ্গিত দিচ্ছে, ফলে এখন নজর থাকবে—এই নতুন প্রশাসনিক বিন্যাস বাস্তবে কতটা কার্যকর হয় এবং রাজনৈতিক সমীকরণে কী প্রভাব ফেলে।

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
রাজ্যের নতুন প্রশাসনিক অধ্যায়ের সূচনা ঘটিয়ে অবশেষে প্রকাশিত হলো দপ্তর বণ্টনের বিজ্ঞপ্তি, আর সেই তালিকাকে ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল তুঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-র নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় রয়েছেন মোট ১৮ জন পূর্ণমন্ত্রী, ৩ জন প্রতিমন্ত্রী (স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত) এবং ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী, এবং দপ্তর বণ্টনের আগে পর্যন্ত সমস্ত প্রশাসনিক দায়িত্ব একাই সামলাচ্ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী, ফলে এবার দায়িত্ব ভাগ হলেও তিনি নিজের হাতেই রেখে দিয়েছেন প্রশাসনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী দপ্তরগুলি—স্বরাষ্ট্র, আইন ও বিচার, ভূমি ও ভূমিরাজস্ব, বিদ্যুৎ, তথ্য ও সংস্কৃতি এবং কর্মীবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার, যা স্পষ্টভাবে ক্ষমতার কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ তাঁর কাছেই রাখার ইঙ্গিত দেয়l
সূত্রের খবর, এই বণ্টনের আগে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য-র সঙ্গে একাধিক দফায় বৈঠক করেন তিনি এবং শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিলমোহরেই চূড়ান্ত হয় এই তালিকা, যার রাজনৈতিক তাৎপর্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ, অন্যদিকে মন্ত্রিত্ব বণ্টনে দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক ভারসাম্যের মিশেল—স্বাস্থ্য দপ্তর পেয়েছেন চিকিৎসক শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, শিল্প ও বাণিজ্যের দায়িত্বে তাপস রায়, অর্থমন্ত্রী হচ্ছেন স্বপন দাশগুপ্ত, উচ্চশিক্ষা পেয়েছেন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় এবং স্কুলশিক্ষার দায়িত্বে রয়েছেন উত্তরবঙ্গের বিধায়ক দীপক বর্মণ, প্রযুক্তি ও কৃষি সংশ্লিষ্ট একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর একসঙ্গে দেওয়া হয়েছে শিক্ষাবিদ কল্যাণী চক্রবর্তীকে, উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন ও জলসম্পদ দপ্তর পেয়েছেন নিশীথ প্রামাণিক, ক্রীড়া ও যুবকল্যাণের পাশাপাশি উপভোক্তা দপ্তরের দায়িত্বে ইন্দ্রনীল খাঁ, আর খাদ্য ও সরবরাহে অশোক কীর্তনিয়া, পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন সহ কৃষি বিপণনে বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ, আদিবাসী কল্যাণ ও সংখ্যালঘু দপ্তরে ক্ষুদিরাম টুডু, পুর ও নগরোন্নয়নে অগ্নিমিত্রা পাল, পর্যটনে শঙ্কর ঘোষ, পরিবেশ ও বনে মনোজ ওরাওঁ, শ্রম ও পরিবহনে অর্জুন সিং, অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণে গৌরীশঙ্কর ঘোষ, সেচে অরূপ দাস, জনস্বাস্থ্য ও পূর্তে অজয় পোদ্দার, কৃষিতে দুধকুমার মণ্ডল, নারী ও শিশু কল্যাণে মালতি রাভা রায় এবং মৎস্য দপ্তরে রাজেশ মাহাতো দায়িত্ব পেয়েছেন, সব মিলিয়ে এই দপ্তর বণ্টন একদিকে যেমন প্রশাসনিক কাজের ভাগাভাগি স্পষ্ট করছে, তেমনই অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর রেখে এক শক্তিশালী কেন্দ্রিক শাসন কাঠামোর ইঙ্গিত দিচ্ছে, ফলে এখন নজর থাকবে—এই নতুন প্রশাসনিক বিন্যাস বাস্তবে কতটা কার্যকর হয় এবং রাজনৈতিক সমীকরণে কী প্রভাব ফেলে।

আপনার মতামত লিখুন