দেশের লাখ লাখ তরুণ ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে আসছে বিশাল এক সুখবর। এই খাতের বিকাশ এবং তরুণদের মেধা-মননকে উৎসাহিত করতে ফ্রিল্যান্সিং ও কনটেন্ট ক্রিয়েশন থেকে অর্জিত সব ধরনের আয়কে সম্পূর্ণ করমুক্ত ঘোষণা করার পরিকল্পনা করছে সরকার। একই সঙ্গে এই খাত থেকে বিদ্যমান ভ্যাটও পুরোপুরি প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করার সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঐতিহাসিক ঘোষণা দেবেন বলে জানা গেছে।
এতদিন দেশে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু আইটি ফ্রিল্যান্সিংয়ের ওপর কর অব্যাহতি বা ছাড়ের সুবিধা ছিল। তবে নতুন বাজেটে এই সুযোগের পরিধি আরও বাড়ানো হচ্ছে। এবার সব ধরনের ফ্রিল্যান্সিং থেকে অর্জিত আয়কেই করমুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। সরকারের আশা, এই যুগান্তকারী পদক্ষেপের ফলে ফ্রিল্যান্সাররা তাদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক আয় (রেমিট্যান্স) হুন্ডি বা অবৈধ পথ পরিহার করে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে আনতে অনেক বেশি উৎসাহিত হবেন।
ফ্রিল্যান্সারদের পাশাপাশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সৃজনশীল কাজ করা কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়কেও প্রথমবারের মতো করমুক্ত করার প্রস্তাব করা হচ্ছে। লাখ লাখ তরুণ ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন মাধ্যমে যে আয় করছেন, তাকে ডিজিটাল অর্থনীতির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছে নতুন সরকার।
পাশাপাশি, ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের প্রদেয় সেবার ওপর বর্তমানে যে ১৫ শতাংশ ভ্যাট চালু রয়েছে, প্রস্তাবিত বাজেটে তা সম্পূর্ণরূপে মওকুফ বা অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
একটি বৈশ্বিক মানের 'ক্রিয়েটিভ ইকোনমি' বা সৃজনশীল অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রযুক্তি খাতের নতুন উদ্যোক্তাদের জন্যও বড় ছাড় দিচ্ছে সরকার।
প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসার ক্ষেত্রে টার্নওভার ট্যাক্স বা বিক্রয় কর শূন্য শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। দেশের নতুন স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানগুলোর বিকাশ নিশ্চিত করতে আগামী ২০৩৫ সাল পর্যন্ত স্থানীয় পর্যায়ের ভ্যাট এবং তাদের অফিস বা স্থাপনা ভাড়ার ওপর থেকে ভ্যাট সম্পূর্ণ মওকুফ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারের এই প্রযুক্তি ও তরুণবান্ধব নীতি দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে এক নতুন বিপ্লবের সূচনা করবে এবং বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পথ সুগম করবে।

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
দেশের লাখ লাখ তরুণ ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে আসছে বিশাল এক সুখবর। এই খাতের বিকাশ এবং তরুণদের মেধা-মননকে উৎসাহিত করতে ফ্রিল্যান্সিং ও কনটেন্ট ক্রিয়েশন থেকে অর্জিত সব ধরনের আয়কে সম্পূর্ণ করমুক্ত ঘোষণা করার পরিকল্পনা করছে সরকার। একই সঙ্গে এই খাত থেকে বিদ্যমান ভ্যাটও পুরোপুরি প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করার সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঐতিহাসিক ঘোষণা দেবেন বলে জানা গেছে।
এতদিন দেশে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু আইটি ফ্রিল্যান্সিংয়ের ওপর কর অব্যাহতি বা ছাড়ের সুবিধা ছিল। তবে নতুন বাজেটে এই সুযোগের পরিধি আরও বাড়ানো হচ্ছে। এবার সব ধরনের ফ্রিল্যান্সিং থেকে অর্জিত আয়কেই করমুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। সরকারের আশা, এই যুগান্তকারী পদক্ষেপের ফলে ফ্রিল্যান্সাররা তাদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক আয় (রেমিট্যান্স) হুন্ডি বা অবৈধ পথ পরিহার করে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে আনতে অনেক বেশি উৎসাহিত হবেন।
ফ্রিল্যান্সারদের পাশাপাশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সৃজনশীল কাজ করা কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়কেও প্রথমবারের মতো করমুক্ত করার প্রস্তাব করা হচ্ছে। লাখ লাখ তরুণ ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন মাধ্যমে যে আয় করছেন, তাকে ডিজিটাল অর্থনীতির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছে নতুন সরকার।
পাশাপাশি, ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের প্রদেয় সেবার ওপর বর্তমানে যে ১৫ শতাংশ ভ্যাট চালু রয়েছে, প্রস্তাবিত বাজেটে তা সম্পূর্ণরূপে মওকুফ বা অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
একটি বৈশ্বিক মানের 'ক্রিয়েটিভ ইকোনমি' বা সৃজনশীল অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রযুক্তি খাতের নতুন উদ্যোক্তাদের জন্যও বড় ছাড় দিচ্ছে সরকার।
প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসার ক্ষেত্রে টার্নওভার ট্যাক্স বা বিক্রয় কর শূন্য শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। দেশের নতুন স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানগুলোর বিকাশ নিশ্চিত করতে আগামী ২০৩৫ সাল পর্যন্ত স্থানীয় পর্যায়ের ভ্যাট এবং তাদের অফিস বা স্থাপনা ভাড়ার ওপর থেকে ভ্যাট সম্পূর্ণ মওকুফ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারের এই প্রযুক্তি ও তরুণবান্ধব নীতি দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে এক নতুন বিপ্লবের সূচনা করবে এবং বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পথ সুগম করবে।

আপনার মতামত লিখুন