বিশ্বজুড়ে এখন ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনা। এই আনন্দ থেকে পিছিয়ে থাকবেন না টাঙ্গাইল জেলা কারাগারের বন্দীরাও। অন্য দর্শকদের মতো তারাও উপভোগ করতে পারবেন বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ। কারাবন্দীদের বিনোদনের কথা মাথায় রেখে তাদের জন্য ৫ টি টেলিভিশন উপহার দিয়েছেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক (ডিসি) শরীফা হক।
বুধবার (১০ জুন) জেল সুপার মো. আনোয়ার হোসেনের কাছে ৩২ ইঞ্চির এই ৫ টি টেলিভিশন হস্তান্তর করেন জেলা প্রশাসক।
জেলা কারাগার সূত্রে জানা গেছে, কারাগারের ১৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৩টিতে আগে থেকেই টেলিভিশন সচল ছিল। এবার নতুন পাঁচটি টেলিভিশন পাওয়ায় সব কটি ওয়ার্ডের বন্দীদের জন্যই খেলা দেখার সুযোগ তৈরি হলো। বিশ্বকাপ শুরুর আগে বন্দীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক এই উদ্যোগ নেন।
জেলা প্রশাসক শরীফা হক বলেন, ‘নিয়মিত জেলা কারাগার পরিদর্শনে গেলে কারাবন্দীরা তাদের জন্য বিশ্বকাপ ফুটবল দেখার ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানান। একজন স্বাভাবিক মানুষের মতো কারাবন্দীদেরও বিশ্বকাপের আনন্দ উপভোগ করার অধিকার রয়েছে। তাদের সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই টেলিভিশনগুলো দেওয়া হয়েছে।’
জেল সুপার মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, টেলিভিশনগুলো স্থাপনের ফলে কারাবন্দীদের মাঝে আনন্দ ও উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। এটি তাদের মানসিক প্রশান্তির পাশাপাশি কারাগারে শৃঙ্খলা বজায় রাখতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
/

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
বিশ্বজুড়ে এখন ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনা। এই আনন্দ থেকে পিছিয়ে থাকবেন না টাঙ্গাইল জেলা কারাগারের বন্দীরাও। অন্য দর্শকদের মতো তারাও উপভোগ করতে পারবেন বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ। কারাবন্দীদের বিনোদনের কথা মাথায় রেখে তাদের জন্য ৫ টি টেলিভিশন উপহার দিয়েছেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক (ডিসি) শরীফা হক।
বুধবার (১০ জুন) জেল সুপার মো. আনোয়ার হোসেনের কাছে ৩২ ইঞ্চির এই ৫ টি টেলিভিশন হস্তান্তর করেন জেলা প্রশাসক।
জেলা কারাগার সূত্রে জানা গেছে, কারাগারের ১৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৩টিতে আগে থেকেই টেলিভিশন সচল ছিল। এবার নতুন পাঁচটি টেলিভিশন পাওয়ায় সব কটি ওয়ার্ডের বন্দীদের জন্যই খেলা দেখার সুযোগ তৈরি হলো। বিশ্বকাপ শুরুর আগে বন্দীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক এই উদ্যোগ নেন।
জেলা প্রশাসক শরীফা হক বলেন, ‘নিয়মিত জেলা কারাগার পরিদর্শনে গেলে কারাবন্দীরা তাদের জন্য বিশ্বকাপ ফুটবল দেখার ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানান। একজন স্বাভাবিক মানুষের মতো কারাবন্দীদেরও বিশ্বকাপের আনন্দ উপভোগ করার অধিকার রয়েছে। তাদের সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই টেলিভিশনগুলো দেওয়া হয়েছে।’
জেল সুপার মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, টেলিভিশনগুলো স্থাপনের ফলে কারাবন্দীদের মাঝে আনন্দ ও উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। এটি তাদের মানসিক প্রশান্তির পাশাপাশি কারাগারে শৃঙ্খলা বজায় রাখতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
/

আপনার মতামত লিখুন