সংবাদ

শ্রীমঙ্গলে চা বাগান আর অরণ্যের স্নিগ্ধতায় মাতল পর্যটকরা


প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার
প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার
প্রকাশ: ২১ মার্চ ২০২৬, ১০:১৪ পিএম

শ্রীমঙ্গলে চা বাগান আর অরণ্যের স্নিগ্ধতায় মাতল পর্যটকরা
ছবি : সংগৃহীত

মৌলভীবাজার জেলায় চায়ের রাজধানী খ্যাত শ্রীমঙ্গল এবং কমলগঞ্জ উপজেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান এলাকায় ঈদের দিন বিকেলে ব্যাপক পর্যটকের উপস্থিতি দেখা গেছে।

শ্রীমঙ্গলের পর্যটন এলাকা ভানুগাছ রোড অভিমুখে বিপুল সংখ্যক পর্যটকের উপস্থিতির কারণে ঈদের দিন দুপুরের পর থেকে তীব্র যানজট ও জনজটের সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ এ যানজটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পর্যটকবাহী যানবাহন আটকা পড়ে থাকতে দেখা যায়।

ঈদের দিন দুপুরের পর থেকে মৌলভীবাজার, সিলেট ও হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যক নারী-পুরুষ ও কিশোর-কিশোরী পর্যটক শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভানুগাছ সড়কের ৭১-এর বধ্যভূমি, পার্শ্ববর্তী চা বাগান এবং লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে ভিড় করেন। অনেকে এ সময় গাড়িতে মাইক লাগিয়ে উচ্চস্বরে গান বাজিয়ে উল্লাস করেন।

এছাড়া ‘চান্দের গাড়ি’ খ্যাত হুডখোলা জিপে সঙ্গীদের নিয়ে নেচে-গেয়ে উল্লাস করে ঈদ উদযাপন করতে দেখা গেছে। বিপুল সংখ্যক কিশোর-যুবক এক মোটরসাইকেলে তিনজন, এমনকি চারজন করে চড়ে হর্ন বাজিয়ে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের সড়ক দিয়ে ছুটে চলে উল্লাস করেন।

এছাড়া জেলার বাইরে—বিশেষত দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত পর্যটকরা অরণ্য ও চা বাগানের স্নিগ্ধতা উপভোগ করতে বের হন। ফলে শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ উপজেলার অন্তত পাঁচটি স্পটে ব্যাপক জনসমাগম ঘটে।

আগত পর্যটকদের বহনকারী যানবাহনের চাপে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার সামনে থেকে ভানুগাছ রোডের বধ্যভূমি এলাকা পর্যন্ত তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এই রাস্তাটুকু পাড়ি দিতে অন্তত ঘণ্টাখানেক সময় কেটে যায়। বধ্যভূমি থেকে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের গেট পর্যন্ত যানবাহনের তীব্র চাপ থাকায় এ রাস্তা দিয়ে ধীর গতিতে যানবাহন চলাচল করতে হয়।

স্থানীয় পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা করছেন, আগামীকাল রোববার সরকারি ছুটি থাকায় পর্যটকদের উপস্থিতি অন্তত দ্বিগুণেরও বেশি হবে। ছুটির দিনে ট্রাফিক পুলিশ ও পর্যটন পুলিশকে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬


শ্রীমঙ্গলে চা বাগান আর অরণ্যের স্নিগ্ধতায় মাতল পর্যটকরা

প্রকাশের তারিখ : ২১ মার্চ ২০২৬

featured Image

মৌলভীবাজার জেলায় চায়ের রাজধানী খ্যাত শ্রীমঙ্গল এবং কমলগঞ্জ উপজেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান এলাকায় ঈদের দিন বিকেলে ব্যাপক পর্যটকের উপস্থিতি দেখা গেছে।

শ্রীমঙ্গলের পর্যটন এলাকা ভানুগাছ রোড অভিমুখে বিপুল সংখ্যক পর্যটকের উপস্থিতির কারণে ঈদের দিন দুপুরের পর থেকে তীব্র যানজট ও জনজটের সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ এ যানজটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পর্যটকবাহী যানবাহন আটকা পড়ে থাকতে দেখা যায়।

ঈদের দিন দুপুরের পর থেকে মৌলভীবাজার, সিলেট ও হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যক নারী-পুরুষ ও কিশোর-কিশোরী পর্যটক শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভানুগাছ সড়কের ৭১-এর বধ্যভূমি, পার্শ্ববর্তী চা বাগান এবং লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে ভিড় করেন। অনেকে এ সময় গাড়িতে মাইক লাগিয়ে উচ্চস্বরে গান বাজিয়ে উল্লাস করেন।

এছাড়া ‘চান্দের গাড়ি’ খ্যাত হুডখোলা জিপে সঙ্গীদের নিয়ে নেচে-গেয়ে উল্লাস করে ঈদ উদযাপন করতে দেখা গেছে। বিপুল সংখ্যক কিশোর-যুবক এক মোটরসাইকেলে তিনজন, এমনকি চারজন করে চড়ে হর্ন বাজিয়ে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের সড়ক দিয়ে ছুটে চলে উল্লাস করেন।

এছাড়া জেলার বাইরে—বিশেষত দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত পর্যটকরা অরণ্য ও চা বাগানের স্নিগ্ধতা উপভোগ করতে বের হন। ফলে শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ উপজেলার অন্তত পাঁচটি স্পটে ব্যাপক জনসমাগম ঘটে।

আগত পর্যটকদের বহনকারী যানবাহনের চাপে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার সামনে থেকে ভানুগাছ রোডের বধ্যভূমি এলাকা পর্যন্ত তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এই রাস্তাটুকু পাড়ি দিতে অন্তত ঘণ্টাখানেক সময় কেটে যায়। বধ্যভূমি থেকে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের গেট পর্যন্ত যানবাহনের তীব্র চাপ থাকায় এ রাস্তা দিয়ে ধীর গতিতে যানবাহন চলাচল করতে হয়।

স্থানীয় পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা করছেন, আগামীকাল রোববার সরকারি ছুটি থাকায় পর্যটকদের উপস্থিতি অন্তত দ্বিগুণেরও বেশি হবে। ছুটির দিনে ট্রাফিক পুলিশ ও পর্যটন পুলিশকে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত