হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় দাঁতের ব্যথার চিকিৎসা করাতে গিয়ে তানহা (৯) নামে এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের দাবি, একটি ফার্মেসিতে অপচিকিৎসার শিকার হয়ে শিশুটি প্রাণ হারিয়েছে। এদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে ১ লাখ টাকার বিনিময়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তানহা সম্প্রতি তার নানাবাড়িতে বেড়াতে আসে। দাঁতে ব্যথা অনুভব করলে তাকে উপজেলার কালিয়ারভাঙ্গা ইউনিয়নের ইমামবাড়ি বাজারের একটি ফার্মেসিতে নেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, সেখানে কোনো স্বীকৃত ডিগ্রি বা প্রশিক্ষণ ছাড়াই ফার্মেসি পরিচালক শিশুটির চিকিৎসা শুরু করেন।
স্বজনদের দাবি, চিকিৎসার কিছুক্ষণ পর থেকেই তানহার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও বিষয়টি আইনগত প্রক্রিয়ায় না নিয়ে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। নিহতের পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয় এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যানের মধ্যস্থতায় অভিযুক্ত ফার্মেসি ব্যবসায়ী ও পরিবারের মধ্যে ১ লাখ টাকার বিনিময়ে বিষয়টি আপস করা হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় নানা সমালোচনা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, একটি শিশুর মৃত্যুর মতো ঘটনায় প্রকৃত কারণ উদঘাটনে প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। অপচিকিৎসার অভিযোগে মৃত্যুর ঘটনায় কীভাবে টাকার বিনিময়ে আপস করা হলো, তা নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলেছেন। এলাকাবাসী অবিলম্বে অভিযুক্ত ব্যক্তির চিকিৎসা কার্যক্রমের বৈধতা যাচাই এবং কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন বা স্বাস্থ্য বিভাগের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত ব্যক্তিও কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
/

শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় দাঁতের ব্যথার চিকিৎসা করাতে গিয়ে তানহা (৯) নামে এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের দাবি, একটি ফার্মেসিতে অপচিকিৎসার শিকার হয়ে শিশুটি প্রাণ হারিয়েছে। এদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে ১ লাখ টাকার বিনিময়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তানহা সম্প্রতি তার নানাবাড়িতে বেড়াতে আসে। দাঁতে ব্যথা অনুভব করলে তাকে উপজেলার কালিয়ারভাঙ্গা ইউনিয়নের ইমামবাড়ি বাজারের একটি ফার্মেসিতে নেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, সেখানে কোনো স্বীকৃত ডিগ্রি বা প্রশিক্ষণ ছাড়াই ফার্মেসি পরিচালক শিশুটির চিকিৎসা শুরু করেন।
স্বজনদের দাবি, চিকিৎসার কিছুক্ষণ পর থেকেই তানহার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও বিষয়টি আইনগত প্রক্রিয়ায় না নিয়ে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। নিহতের পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয় এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যানের মধ্যস্থতায় অভিযুক্ত ফার্মেসি ব্যবসায়ী ও পরিবারের মধ্যে ১ লাখ টাকার বিনিময়ে বিষয়টি আপস করা হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় নানা সমালোচনা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, একটি শিশুর মৃত্যুর মতো ঘটনায় প্রকৃত কারণ উদঘাটনে প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। অপচিকিৎসার অভিযোগে মৃত্যুর ঘটনায় কীভাবে টাকার বিনিময়ে আপস করা হলো, তা নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলেছেন। এলাকাবাসী অবিলম্বে অভিযুক্ত ব্যক্তির চিকিৎসা কার্যক্রমের বৈধতা যাচাই এবং কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন বা স্বাস্থ্য বিভাগের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত ব্যক্তিও কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
/

আপনার মতামত লিখুন