সংবাদ

সাটুরিয়ায় জলাতঙ্ক রুখতে গবাদিপশুকে জরুরি টিকা


প্রতিনিধি, মানিকগঞ্জ
প্রতিনিধি, মানিকগঞ্জ
প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৪:২০ পিএম

সাটুরিয়ায় জলাতঙ্ক রুখতে গবাদিপশুকে জরুরি টিকা
ছবি : সংবাদ

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত একটি গরু জবাই করে মাংস বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রোববার (১৪ জুন) সকাল থেকে আক্রান্ত এলাকার দুই কিলোমিটার জুড়ে গবাদিপশুকে জরুরি টিকাদান (ভ্যাকসিনেশন) শুরু করেছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ।

সাটুরিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তানজিলা ফেরদৌসী বলেন, জলাতঙ্ক যেন ছড়িয়ে পড়তে না পারে, সে জন্য আজ রোববার সকাল ৯টা থেকে আক্রান্ত এলাকার চারপাশের গবাদিপশুকে সতর্কতামূলক টিকা দেওয়া হচ্ছে। আজকের মধ্যেই এই কার্যক্রম শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নের বড়পয়লা গ্রামের রমজান বেপারী নামে এক ব্যক্তির গরু জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত হয়। গত রোববার বিকেলে সাটুরিয়া উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন খোকন হোসেন গরুটি দেখে জলাতঙ্ক নিশ্চিত করেন। ওই সময় গরুর মালিককে কোনোভাবেই গরুটি জবাই বা মাংস বিক্রি না করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।

ভেটেরিনারি সার্জন খোকন হোসেন বলেন, ‘গরুটি জলাতঙ্কে আক্রান্ত জানার পর আমরা মালিককে নিষেধ করেছিলাম। কিন্তু তিনি সরকারি নিষেধাজ্ঞা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি উপেক্ষা করে পরদিন সোমবার সকালে গরুটি জবাই করে মাত্র ৩০০ টাকা কেজি দরে স্থানীয় লোকজনের কাছে মাংস বিক্রি করে দেন।’

কম দামে পেয়ে অনেকেই সেই মাংস কেনেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ক্ষোভ ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। যারা এই মাংস কিনেছেন বা মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তারা এখন চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, ‘রিং ভ্যাক্সিনেশনের’ মাধ্যমে সুস্থ পশুগুলোকে নিরাপদ রাখার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতন করা হচ্ছে। আইন অমান্য করে জনস্বাস্থ্য হুমকিতে ফেলা ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি প্রশাসন খতিয়ে দেখছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


সাটুরিয়ায় জলাতঙ্ক রুখতে গবাদিপশুকে জরুরি টিকা

প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬

featured Image

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত একটি গরু জবাই করে মাংস বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রোববার (১৪ জুন) সকাল থেকে আক্রান্ত এলাকার দুই কিলোমিটার জুড়ে গবাদিপশুকে জরুরি টিকাদান (ভ্যাকসিনেশন) শুরু করেছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ।

সাটুরিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তানজিলা ফেরদৌসী বলেন, জলাতঙ্ক যেন ছড়িয়ে পড়তে না পারে, সে জন্য আজ রোববার সকাল ৯টা থেকে আক্রান্ত এলাকার চারপাশের গবাদিপশুকে সতর্কতামূলক টিকা দেওয়া হচ্ছে। আজকের মধ্যেই এই কার্যক্রম শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নের বড়পয়লা গ্রামের রমজান বেপারী নামে এক ব্যক্তির গরু জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত হয়। গত রোববার বিকেলে সাটুরিয়া উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন খোকন হোসেন গরুটি দেখে জলাতঙ্ক নিশ্চিত করেন। ওই সময় গরুর মালিককে কোনোভাবেই গরুটি জবাই বা মাংস বিক্রি না করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।

ভেটেরিনারি সার্জন খোকন হোসেন বলেন, ‘গরুটি জলাতঙ্কে আক্রান্ত জানার পর আমরা মালিককে নিষেধ করেছিলাম। কিন্তু তিনি সরকারি নিষেধাজ্ঞা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি উপেক্ষা করে পরদিন সোমবার সকালে গরুটি জবাই করে মাত্র ৩০০ টাকা কেজি দরে স্থানীয় লোকজনের কাছে মাংস বিক্রি করে দেন।’

কম দামে পেয়ে অনেকেই সেই মাংস কেনেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ক্ষোভ ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। যারা এই মাংস কিনেছেন বা মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তারা এখন চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, ‘রিং ভ্যাক্সিনেশনের’ মাধ্যমে সুস্থ পশুগুলোকে নিরাপদ রাখার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতন করা হচ্ছে। আইন অমান্য করে জনস্বাস্থ্য হুমকিতে ফেলা ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি প্রশাসন খতিয়ে দেখছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত