সংবাদ

শিশু নিছামনি হত্যা : দুই আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি


জেলা বার্তা পরিবেশক, ময়মনসিংহ
জেলা বার্তা পরিবেশক, ময়মনসিংহ
প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৮:৩৫ পিএম

শিশু নিছামনি হত্যা : দুই আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি
ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় শিশু নিছামনিকে গণধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামিকে ময়মনসিংহের আদালতে নেওয়া হচ্ছে। ছবি : সংবাদ

ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় পাঁচ বছর বয়সী শিশু নিছামনিকে গণধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত চারজনকেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে কড়া নিরাপত্তায় মামলার দুই আসামি সায়েম ও মারুফকে ময়মনসিংহের আদালতে হাজির করা হয়।

পুলিশ জানায়, এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িত চারজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার অপর দুই আসামি আরিফ ও রাকিব আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। আজ সায়েম ও মারুফকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে তোলা হয়েছে।

গত রোববার (১৪ জুন) বিকেলে ধোবাউড়া উপজেলার টাঙ্গাটি গ্রামের তাজু মিয়ার মেয়ে নিছামনি নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। ওই দিন সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে স্থানীয় লোকজন কংস নদীতে একটি শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখেন। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে সেটি নিছামনির মরদেহ হিসেবে শনাক্ত করেন।

নিছামনির পরিবারের সদস্যরা জানান, মরদেহ উদ্ধারের পর রাতে দাফনের জন্য গোসল করানোর সময় শিশুটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম দেখা যায়। বিশেষ করে তার গলা ও বুকে কামড়ের দাগ এবং শরীর থেকে রক্তক্ষরণের আলামত ছিল। এরপরই সন্দেহ হয় যে তাকে পাশবিক নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে। খবর পেয়ে ধোবাউড়া থানা-পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

এ নৃশংস ঘটনার পর টাঙ্গাটি গ্রামসহ পুরো এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬


শিশু নিছামনি হত্যা : দুই আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬

featured Image

ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় পাঁচ বছর বয়সী শিশু নিছামনিকে গণধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত চারজনকেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে কড়া নিরাপত্তায় মামলার দুই আসামি সায়েম ও মারুফকে ময়মনসিংহের আদালতে হাজির করা হয়।

পুলিশ জানায়, এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িত চারজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার অপর দুই আসামি আরিফ ও রাকিব আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। আজ সায়েম ও মারুফকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে তোলা হয়েছে।

গত রোববার (১৪ জুন) বিকেলে ধোবাউড়া উপজেলার টাঙ্গাটি গ্রামের তাজু মিয়ার মেয়ে নিছামনি নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। ওই দিন সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে স্থানীয় লোকজন কংস নদীতে একটি শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখেন। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে সেটি নিছামনির মরদেহ হিসেবে শনাক্ত করেন।

নিছামনির পরিবারের সদস্যরা জানান, মরদেহ উদ্ধারের পর রাতে দাফনের জন্য গোসল করানোর সময় শিশুটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম দেখা যায়। বিশেষ করে তার গলা ও বুকে কামড়ের দাগ এবং শরীর থেকে রক্তক্ষরণের আলামত ছিল। এরপরই সন্দেহ হয় যে তাকে পাশবিক নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে। খবর পেয়ে ধোবাউড়া থানা-পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

এ নৃশংস ঘটনার পর টাঙ্গাটি গ্রামসহ পুরো এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত