বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি জাপানে রপ্তানির জন্য জাপানের সহযোগিতা কামনা করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। বুধবার (১৭ জুন) সংসদ ভবনে স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত রাইদা শিনচি। এ সময় স্পিকার এই আহ্বান জানান বলে সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
বৈঠকে স্পিকার জাপানকে দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত, অকৃত্রিম বন্ধু দেশ হিসেবে বাংলাদেশের বিভিন্ন সেক্টরে বিনিয়োগের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে জাপানের শর্তহীন বিনিয়োগের জন্য স্পিকার জাপান সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। স্পিকার ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পর বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম দিকের শিল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে জাপান একটি হওয়ার বিষয়টি শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করেন।
জাপানের রাষ্ট্রদূত রাইদা শিনচি বলেন, বাংলাদেশ-জাপানের মধ্যকার সুদৃঢ় সম্পর্কের ভিত্তি হচ্ছে দুই দেশের জনগণের মধ্যে আন্তরিকতা ও সহানুভূতির মেলবন্ধন। তিনি বলেন, জাপান সরকার বাংলাদেশ-জাপান কৌশলগত অংশিদারিত্ব, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সহযোগিতা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে।
এ সময় সংসদ সচিবালয়ের সচিব মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া ও জাপান এ্যাম্বেসির দ্বিতীয় সচিব নিশি ইউকি উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি জাপানে রপ্তানির জন্য জাপানের সহযোগিতা কামনা করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। বুধবার (১৭ জুন) সংসদ ভবনে স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত রাইদা শিনচি। এ সময় স্পিকার এই আহ্বান জানান বলে সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
বৈঠকে স্পিকার জাপানকে দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত, অকৃত্রিম বন্ধু দেশ হিসেবে বাংলাদেশের বিভিন্ন সেক্টরে বিনিয়োগের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে জাপানের শর্তহীন বিনিয়োগের জন্য স্পিকার জাপান সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। স্পিকার ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পর বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম দিকের শিল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে জাপান একটি হওয়ার বিষয়টি শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করেন।
জাপানের রাষ্ট্রদূত রাইদা শিনচি বলেন, বাংলাদেশ-জাপানের মধ্যকার সুদৃঢ় সম্পর্কের ভিত্তি হচ্ছে দুই দেশের জনগণের মধ্যে আন্তরিকতা ও সহানুভূতির মেলবন্ধন। তিনি বলেন, জাপান সরকার বাংলাদেশ-জাপান কৌশলগত অংশিদারিত্ব, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সহযোগিতা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে।
এ সময় সংসদ সচিবালয়ের সচিব মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া ও জাপান এ্যাম্বেসির দ্বিতীয় সচিব নিশি ইউকি উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন