গাইবান্ধা সদর উপজেলায় বন্ধুদের সঙ্গে দীঘিতে গোসলে নেমে তর্কের জেরে রাহাত (১৫) নামের এক কিশোরকে পানিতে চুবিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের উত্তর হরিণসিংহা গ্রামের ‘হাওয়াই দীঘি’তে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত রাহাত ওই গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে রাহাত তার দুই বন্ধু সাকিব (১৫) ও রিফাতের (১৫) সঙ্গে হাওয়াই দীঘিতে গোসল করতে নামে। গোসলের একপর্যায়ে কোনো একটি বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে প্রচণ্ড তর্কাতর্কি হয়। এর জেরে ক্ষিপ্ত হয়ে সাকিব ও রিফাত মিলে রাহাতকে পানির নিচে জোরপূর্বক চুবিয়ে ধরে রাখে। এতে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে পানির নিচে অচেতন হয়ে পড়ে রাহাত।
ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত দুই কিশোর পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা রাহাতকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত রাহাতের পরিবারের অভিযোগ, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। অভিযুক্ত সাকিব একই এলাকার জবান আলীর ছেলে এবং রিফাত সাইদুল ইসলামের ছেলে।
খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহের প্রাথমিক সুরতহালে শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ঘটনার সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।
/

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
গাইবান্ধা সদর উপজেলায় বন্ধুদের সঙ্গে দীঘিতে গোসলে নেমে তর্কের জেরে রাহাত (১৫) নামের এক কিশোরকে পানিতে চুবিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের উত্তর হরিণসিংহা গ্রামের ‘হাওয়াই দীঘি’তে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত রাহাত ওই গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে রাহাত তার দুই বন্ধু সাকিব (১৫) ও রিফাতের (১৫) সঙ্গে হাওয়াই দীঘিতে গোসল করতে নামে। গোসলের একপর্যায়ে কোনো একটি বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে প্রচণ্ড তর্কাতর্কি হয়। এর জেরে ক্ষিপ্ত হয়ে সাকিব ও রিফাত মিলে রাহাতকে পানির নিচে জোরপূর্বক চুবিয়ে ধরে রাখে। এতে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে পানির নিচে অচেতন হয়ে পড়ে রাহাত।
ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত দুই কিশোর পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা রাহাতকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত রাহাতের পরিবারের অভিযোগ, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। অভিযুক্ত সাকিব একই এলাকার জবান আলীর ছেলে এবং রিফাত সাইদুল ইসলামের ছেলে।
খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহের প্রাথমিক সুরতহালে শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ঘটনার সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।
/

আপনার মতামত লিখুন