সাতক্ষীরার কলারোয়ায় নিখোঁজের এক দিন পর মেহেদী হাসান (৩২) নামের এক মধু ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার ২ নম্বর জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের পেছনে একটি মোবাইল ফোন টাওয়ারের পাশের ডোবা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মেহেদী হাসান উপজেলার কয়লা গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে। তিনি পেশায় মধু ব্যবসায়ী ছিলেন। তার ৪ বছর বয়সী একটি ছেলেসন্তান রয়েছে।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি মেহেদী। আজ সকালে জালালাবাদ গ্রামের এক নারী ওই ডোবায় ময়লা ফেলতে গিয়ে মরদেহটি ভাসতে দেখেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে।
নিহতের মা মনোয়ারা বেগম বলেন, ‘ছেলে রাতে বাড়ি না ফেরায় আমরা ভেবেছিলাম পার্শ্ববর্তী আলাইপুর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে আছে। সকালে শুনলাম কে বা কারা আমার ছেলেকে মেরে এখানে ফেলে রেখে গেছে।’
ঘটনার খবর পেয়ে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মিথুন সরকার ও কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম শাহীন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি একটি হত্যাকাণ্ড। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় নিখোঁজের এক দিন পর মেহেদী হাসান (৩২) নামের এক মধু ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার ২ নম্বর জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের পেছনে একটি মোবাইল ফোন টাওয়ারের পাশের ডোবা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মেহেদী হাসান উপজেলার কয়লা গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে। তিনি পেশায় মধু ব্যবসায়ী ছিলেন। তার ৪ বছর বয়সী একটি ছেলেসন্তান রয়েছে।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি মেহেদী। আজ সকালে জালালাবাদ গ্রামের এক নারী ওই ডোবায় ময়লা ফেলতে গিয়ে মরদেহটি ভাসতে দেখেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে।
নিহতের মা মনোয়ারা বেগম বলেন, ‘ছেলে রাতে বাড়ি না ফেরায় আমরা ভেবেছিলাম পার্শ্ববর্তী আলাইপুর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে আছে। সকালে শুনলাম কে বা কারা আমার ছেলেকে মেরে এখানে ফেলে রেখে গেছে।’
ঘটনার খবর পেয়ে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মিথুন সরকার ও কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম শাহীন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি একটি হত্যাকাণ্ড। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/

আপনার মতামত লিখুন