টরন্টোর বিএমও ফিল্ডে বিশ্বকাপের অন্যতম রোমাঞ্চকর ম্যাচে শেষ মুহূর্তের নাটকীয় গোলে আইভরি কোস্টকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে নকআউট পর্বের টিকিট নিশ্চিত করেছে জার্মানি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে কাই হাভার্টজ, জামাল মুসিয়ালা এবং লুকাস এনমেচারা একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা পাচ্ছিলেন না।
উল্টো ম্যাচের ৩০ মিনিটে বাম দিক থেকে গড়ে ওঠা এক আক্রমণে আইভরি কোস্টকে এগিয়ে নেন ফ্রাঙ্ক কেসি। আমাদ দিয়ালোর শট জার্মানির নাথানিয়েল ব্রাউন অসাধারণভাবে ব্লক করলেও ফিরতি বলে কোনো ভুল করেননি কেসি, কাছ থেকে জোরালো শটে বল জালে পাঠিয়ে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি। প্রথমার্ধে জার্মানি দুইবার বল জালে পাঠালেও আলেকজান্ডার পেভলোভিচ এবং পরে জামাল মুসিয়ালার ফাউলের কারণে দুটি গোলই বাতিল হয়ে যায়।
তবে প্রথমার্ধের সেই হতাশা কাটিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন বদলি হিসেবে মাঠে নামা জার্মান স্ট্রাইকার দেনিজ উনদাভ। ৬৮তম মিনিটে আরেক বদলি খেলোয়াড় নাদিম আমিরির ক্রস কাই হাভার্টজকে এড়িয়ে উনদাভের কাছে পৌঁছালে বক্সের ভেতর থেকে দুর্দান্ত এক ভলিতে গোল করে জার্মানিকে সমতায় ফেরান তিনি।
এরপর ম্যাচ যখন নিশ্চিত ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছিল, ঠিক তখনই যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত নাটকীয় মুহূর্ত। লুকাস এনমেচা ঠান্ডা মাথায় বক্সের ভেতরে পাস বাড়িয়ে দেন উনদাভের উদ্দেশে। এক টাচে ঘুরে দাঁড়িয়ে শক্তিশালী শটে বল জালে জড়িয়ে জার্মানির অবিশ্বাস্য জয় নিশ্চিত করেন এই স্ট্রাইকার।
এই নাটকীয় জয়ের ফলে জার্মানি গ্রুপ ‘ই’ থেকে রাউন্ড অব ৩২-এ নিজেদের জায়গা পাকা করে নিয়েছে। আগামী শেষ ম্যাচে মাত্র একটি পয়েন্ট পেলেই তারা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবে, এমনকি পরের ম্যাচে ইকুয়েডর যদি কুরাসাওকে হারাতে ব্যর্থ হয়, তাহলেও জার্মানির শীর্ষস্থান নিশ্চিত হয়ে যাবে।
অন্যদিকে, ম্যাচটি ড্র করতে পারলে চার পয়েন্ট নিয়ে অনেকটাই নিরাপদ অবস্থানে যাওয়ার সুযোগ ছিল আইভরি কোস্টের। কিন্তু শেষ মুহূর্তের এই অপ্রত্যাশিত হার আফ্রিকান দলটিকে এখন কঠিন সমীকরণের সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে এবং নকআউট পর্বে উঠতে হলে তাদের শেষ গ্রুপ ম্যাচে অবশ্যই ভালো ফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে।

রোববার, ২১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
টরন্টোর বিএমও ফিল্ডে বিশ্বকাপের অন্যতম রোমাঞ্চকর ম্যাচে শেষ মুহূর্তের নাটকীয় গোলে আইভরি কোস্টকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে নকআউট পর্বের টিকিট নিশ্চিত করেছে জার্মানি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে কাই হাভার্টজ, জামাল মুসিয়ালা এবং লুকাস এনমেচারা একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা পাচ্ছিলেন না।
উল্টো ম্যাচের ৩০ মিনিটে বাম দিক থেকে গড়ে ওঠা এক আক্রমণে আইভরি কোস্টকে এগিয়ে নেন ফ্রাঙ্ক কেসি। আমাদ দিয়ালোর শট জার্মানির নাথানিয়েল ব্রাউন অসাধারণভাবে ব্লক করলেও ফিরতি বলে কোনো ভুল করেননি কেসি, কাছ থেকে জোরালো শটে বল জালে পাঠিয়ে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি। প্রথমার্ধে জার্মানি দুইবার বল জালে পাঠালেও আলেকজান্ডার পেভলোভিচ এবং পরে জামাল মুসিয়ালার ফাউলের কারণে দুটি গোলই বাতিল হয়ে যায়।
তবে প্রথমার্ধের সেই হতাশা কাটিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন বদলি হিসেবে মাঠে নামা জার্মান স্ট্রাইকার দেনিজ উনদাভ। ৬৮তম মিনিটে আরেক বদলি খেলোয়াড় নাদিম আমিরির ক্রস কাই হাভার্টজকে এড়িয়ে উনদাভের কাছে পৌঁছালে বক্সের ভেতর থেকে দুর্দান্ত এক ভলিতে গোল করে জার্মানিকে সমতায় ফেরান তিনি।
এরপর ম্যাচ যখন নিশ্চিত ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছিল, ঠিক তখনই যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত নাটকীয় মুহূর্ত। লুকাস এনমেচা ঠান্ডা মাথায় বক্সের ভেতরে পাস বাড়িয়ে দেন উনদাভের উদ্দেশে। এক টাচে ঘুরে দাঁড়িয়ে শক্তিশালী শটে বল জালে জড়িয়ে জার্মানির অবিশ্বাস্য জয় নিশ্চিত করেন এই স্ট্রাইকার।
এই নাটকীয় জয়ের ফলে জার্মানি গ্রুপ ‘ই’ থেকে রাউন্ড অব ৩২-এ নিজেদের জায়গা পাকা করে নিয়েছে। আগামী শেষ ম্যাচে মাত্র একটি পয়েন্ট পেলেই তারা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবে, এমনকি পরের ম্যাচে ইকুয়েডর যদি কুরাসাওকে হারাতে ব্যর্থ হয়, তাহলেও জার্মানির শীর্ষস্থান নিশ্চিত হয়ে যাবে।
অন্যদিকে, ম্যাচটি ড্র করতে পারলে চার পয়েন্ট নিয়ে অনেকটাই নিরাপদ অবস্থানে যাওয়ার সুযোগ ছিল আইভরি কোস্টের। কিন্তু শেষ মুহূর্তের এই অপ্রত্যাশিত হার আফ্রিকান দলটিকে এখন কঠিন সমীকরণের সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে এবং নকআউট পর্বে উঠতে হলে তাদের শেষ গ্রুপ ম্যাচে অবশ্যই ভালো ফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন