সংবাদ

৬ মাসের মাথায় মন্ত্রিসভায় রদবদল, আসতে পারে নতুন মুখ


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৪ আগস্ট ২০২৬, ১১:৫৯ এএম

৬ মাসের মাথায় মন্ত্রিসভায় রদবদল, আসতে পারে নতুন মুখ
ছবি : সংগৃহীত

আগামী ১৬ আগস্ট পূর্ণ হতে যাচ্ছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম ৬ মাস। এই সময়সীমাকে সামনে রেখে মন্ত্রিসভা পুনর্গঠন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের সূত্রগুলো বলছে, গত ৬ মাসের কর্মদক্ষতা, প্রশাসনিক সক্ষমতা এবং ভাবমূর্তি মূল্যায়নের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। এতে যেমন কয়েকজন মন্ত্রী বাদ পড়তে পারেন, তেমনি যুক্ত হতে পারেন একঝাঁক নতুন মুখ।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দায়িত্বরত ২৪ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব মন্ত্রী কাজের গতি বজায় রাখতে পারেননি কিংবা অপ্রয়োজনীয় বিতর্কে জড়িয়ে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন, তাদের ওপর খড়্গ নামতে পারে। অন্যদিকে, দক্ষ ও তরুণ সংসদ সদস্যদের পাশাপাশি অভিজ্ঞ রাজনীতিকদের গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

নতুন সদস্য হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান এবং সেলিমা রহমান। তবে তাদের রাষ্ট্রপতির পদ বা স্পিকারের মতো সাংবিধানিক পদে মনোনয়ন দেওয়া না হলেই কেবল মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।

এ ছাড়া দলের মাঠপর্যায়ের নেতা ও তরুণদের মধ্য থেকে ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, রুহুল কবির রিজভী, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান এবং রকিবুল ইসলাম বকুলের নাম শোনা যাচ্ছে।

সরকারের শরিক ও সমমনা দলগুলোর মধ্য থেকে নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ, শাহাদাত হোসেন সেলিম ও সাইফুল হকের অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনাও নাকচ করছে না সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।

বর্তমানে অন্তত ১২ জন মন্ত্রী একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। এই চাপ কমাতে এবং মন্ত্রণালয়ের কাজে গতি আনতে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন এখন সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন ও জনদুর্ভোগ কমাতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারে–এমন ব্যক্তিদেরই মন্ত্রিসভার নতুন তালিকায় অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একজন নেতা জানান, প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে সবার পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করছেন। কিছু প্রতিমন্ত্রী অত্যন্ত ভালো কাজ করেছেন, তাদের পূর্ণ মন্ত্রী করা হতে পারে। আবার কিছু ক্ষেত্রে টেকনোক্রেট কোটায় দক্ষ ব্যক্তিদের যুক্ত করার চিন্তাভাবনাও রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬


৬ মাসের মাথায় মন্ত্রিসভায় রদবদল, আসতে পারে নতুন মুখ

প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

আগামী ১৬ আগস্ট পূর্ণ হতে যাচ্ছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম ৬ মাস। এই সময়সীমাকে সামনে রেখে মন্ত্রিসভা পুনর্গঠন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের সূত্রগুলো বলছে, গত ৬ মাসের কর্মদক্ষতা, প্রশাসনিক সক্ষমতা এবং ভাবমূর্তি মূল্যায়নের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। এতে যেমন কয়েকজন মন্ত্রী বাদ পড়তে পারেন, তেমনি যুক্ত হতে পারেন একঝাঁক নতুন মুখ।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দায়িত্বরত ২৪ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব মন্ত্রী কাজের গতি বজায় রাখতে পারেননি কিংবা অপ্রয়োজনীয় বিতর্কে জড়িয়ে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন, তাদের ওপর খড়্গ নামতে পারে। অন্যদিকে, দক্ষ ও তরুণ সংসদ সদস্যদের পাশাপাশি অভিজ্ঞ রাজনীতিকদের গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

নতুন সদস্য হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান এবং সেলিমা রহমান। তবে তাদের রাষ্ট্রপতির পদ বা স্পিকারের মতো সাংবিধানিক পদে মনোনয়ন দেওয়া না হলেই কেবল মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।

এ ছাড়া দলের মাঠপর্যায়ের নেতা ও তরুণদের মধ্য থেকে ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, রুহুল কবির রিজভী, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান এবং রকিবুল ইসলাম বকুলের নাম শোনা যাচ্ছে।

সরকারের শরিক ও সমমনা দলগুলোর মধ্য থেকে নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ, শাহাদাত হোসেন সেলিম ও সাইফুল হকের অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনাও নাকচ করছে না সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।

বর্তমানে অন্তত ১২ জন মন্ত্রী একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। এই চাপ কমাতে এবং মন্ত্রণালয়ের কাজে গতি আনতে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন এখন সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন ও জনদুর্ভোগ কমাতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারে–এমন ব্যক্তিদেরই মন্ত্রিসভার নতুন তালিকায় অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একজন নেতা জানান, প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে সবার পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করছেন। কিছু প্রতিমন্ত্রী অত্যন্ত ভালো কাজ করেছেন, তাদের পূর্ণ মন্ত্রী করা হতে পারে। আবার কিছু ক্ষেত্রে টেকনোক্রেট কোটায় দক্ষ ব্যক্তিদের যুক্ত করার চিন্তাভাবনাও রয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত