টাঙ্গাইলের মধুপুর গড়ের আদি সাংসারেক গারো সম্প্রদায়ের পুরোহিত খামাল জনিক নকরেকের জীবন, কর্ম ও দর্শন নিয়ে স্মরণসভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে শুক্রবার (১৯ জুন) দিনব্যাপী মধুপুর উপজেলার পাহাড়িয়া এলাকার চুনিয়া গ্রামে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
নেত্রকোনার বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি এই অনুষ্ঠানটি বাস্তবায়ন করে। জনিক নকরেকের ১১৫তম জন্মদিন উপলক্ষে তার নিজের বাড়িতে এই আয়োজনে ছিল আলোচনা সভা, কেক কাটা, সম্মাননা প্রদান ও ঐতিহ্যবাহী সংগীত পরিবেশনা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমির পরিচালক কবি পরাগ রিছিল। সভায় বক্তারা প্রয়াত জনিক নকরেকের জীবন ও দর্শনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, জনিক নকরেক ছিলেন আদি গারো সম্প্রদায়ের একজন পথপ্রদর্শক ও দার্শনিক। তিনি গারোদের জুম চাষ, ওয়ানগালা উৎসব এবং ভাষা ও সংস্কৃতির ঐতিহ্য রক্ষায় আমৃত্যু কাজ করে গেছেন।
আলোচনা শেষে জনিক নকরেকের ১১৫তম জন্মদিন উপলক্ষে শিশুদের নিয়ে কেক কাটা হয়। পরে তার পরিবারের সদস্যদের হাতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সম্মাননা স্মারক তুলে দেয় বিরিশিরি কালচারাল একাডেমি। অনুষ্ঠানের শেষ অংশে গারোদের প্রায় হারিয়ে যাওয়া আদি ‘সেরেজিং’ গান পরিবেশন করা হয়।
স্মরণসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন কারিতাস বাংলাদেশের কর্মসূচি কর্মকর্তা অপূর্ব ম্রং, টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটির উত্তর টাঙ্গাইলের সভাপতি হাবিবুর রহমান এবং বিরিশিরি কালচারাল একাডেমির কর্মকর্তা লাকী। অনুষ্ঠানে গবেষক, সাংবাদিক ও গারো সম্প্রদায়ের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
/

রোববার, ২১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
টাঙ্গাইলের মধুপুর গড়ের আদি সাংসারেক গারো সম্প্রদায়ের পুরোহিত খামাল জনিক নকরেকের জীবন, কর্ম ও দর্শন নিয়ে স্মরণসভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে শুক্রবার (১৯ জুন) দিনব্যাপী মধুপুর উপজেলার পাহাড়িয়া এলাকার চুনিয়া গ্রামে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
নেত্রকোনার বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি এই অনুষ্ঠানটি বাস্তবায়ন করে। জনিক নকরেকের ১১৫তম জন্মদিন উপলক্ষে তার নিজের বাড়িতে এই আয়োজনে ছিল আলোচনা সভা, কেক কাটা, সম্মাননা প্রদান ও ঐতিহ্যবাহী সংগীত পরিবেশনা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমির পরিচালক কবি পরাগ রিছিল। সভায় বক্তারা প্রয়াত জনিক নকরেকের জীবন ও দর্শনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, জনিক নকরেক ছিলেন আদি গারো সম্প্রদায়ের একজন পথপ্রদর্শক ও দার্শনিক। তিনি গারোদের জুম চাষ, ওয়ানগালা উৎসব এবং ভাষা ও সংস্কৃতির ঐতিহ্য রক্ষায় আমৃত্যু কাজ করে গেছেন।
আলোচনা শেষে জনিক নকরেকের ১১৫তম জন্মদিন উপলক্ষে শিশুদের নিয়ে কেক কাটা হয়। পরে তার পরিবারের সদস্যদের হাতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সম্মাননা স্মারক তুলে দেয় বিরিশিরি কালচারাল একাডেমি। অনুষ্ঠানের শেষ অংশে গারোদের প্রায় হারিয়ে যাওয়া আদি ‘সেরেজিং’ গান পরিবেশন করা হয়।
স্মরণসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন কারিতাস বাংলাদেশের কর্মসূচি কর্মকর্তা অপূর্ব ম্রং, টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটির উত্তর টাঙ্গাইলের সভাপতি হাবিবুর রহমান এবং বিরিশিরি কালচারাল একাডেমির কর্মকর্তা লাকী। অনুষ্ঠানে গবেষক, সাংবাদিক ও গারো সম্প্রদায়ের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
/

আপনার মতামত লিখুন