পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির আলোকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় পুনর্গঠন এবং একজন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীভুক্ত ব্যক্তিকে মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগসহ ৩ দফা দাবিতে বান্দরবানে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। রোববার (২১ জুন) সকালে বান্দরবান শহরের মুক্তমঞ্চ প্রাঙ্গণে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক সমাজের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
আন্দোলনকারীদের দাবিটি হলো- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বর্তমান প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালকে ওই দপ্তর থেকে সরিয়ে অন্য মন্ত্রণালয়ে পদায়ন করা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির অনেক গুরুত্বপূর্ণ ধারা আড়াই দশকেও পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে এবং চুক্তির সঠিক বাস্তবায়নে এই মন্ত্রণালয়ে একজন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীভুক্ত প্রতিনিধিকে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে তারা চুক্তির নির্দেশনার আলোকে মন্ত্রণালয়টিকে ঢেলে সাজানোর দাবি জানান।
বক্তারা আরও বলেন, বর্তমান প্রতিমন্ত্রীর পরিবর্তে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মধ্য থেকে প্রতিনিধি নিয়োগ দিলে আঞ্চলিক সমস্যাগুলো সমাধান এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত হবে।
মানববন্ধন শেষে আন্দোলনকারীরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। কর্মসূচিতে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিসহ পাহাড়ের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
/

রোববার, ২১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির আলোকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় পুনর্গঠন এবং একজন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীভুক্ত ব্যক্তিকে মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগসহ ৩ দফা দাবিতে বান্দরবানে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। রোববার (২১ জুন) সকালে বান্দরবান শহরের মুক্তমঞ্চ প্রাঙ্গণে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক সমাজের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
আন্দোলনকারীদের দাবিটি হলো- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বর্তমান প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালকে ওই দপ্তর থেকে সরিয়ে অন্য মন্ত্রণালয়ে পদায়ন করা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির অনেক গুরুত্বপূর্ণ ধারা আড়াই দশকেও পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে এবং চুক্তির সঠিক বাস্তবায়নে এই মন্ত্রণালয়ে একজন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীভুক্ত প্রতিনিধিকে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে তারা চুক্তির নির্দেশনার আলোকে মন্ত্রণালয়টিকে ঢেলে সাজানোর দাবি জানান।
বক্তারা আরও বলেন, বর্তমান প্রতিমন্ত্রীর পরিবর্তে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মধ্য থেকে প্রতিনিধি নিয়োগ দিলে আঞ্চলিক সমস্যাগুলো সমাধান এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত হবে।
মানববন্ধন শেষে আন্দোলনকারীরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। কর্মসূচিতে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিসহ পাহাড়ের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
/

আপনার মতামত লিখুন