সাতক্ষীরার আশাশুনিতে নাশকতার পরিকল্পনা ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের ছয় নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে আশাশুনি উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামের একটি নির্মাণাধীন ভবনে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা গোপন বৈঠকে মিলিত হন। খবর পেয়ে রাত সোয়া একটার দিকে সেখানে অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর সময় ভবনটির ছাদ থেকে ছয়জনকে আটক করা হয়। তবে ভবনের নিচে থাকা আরও ১০ জন নামীয় এবং অন্তত ৫০ থেকে ৬০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি পালিয়ে যান।
আটককৃতরা হলেন-কচুয়া গ্রামের ওমর ছাকি ফেরদৌস পলাশ, আছাফুর রহমান, ইকরামুল ঢালী, জিয়াউর রহমান, আজিজুল ইসলাম ও রাশিদুল ইসলাম।
পুলিশের দাবি, আটক ব্যক্তিরা জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন যে তারা বর্তমান সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র এবং জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিলেন। এই বৈঠকের অর্থায়ন ও পৃষ্ঠপোষকতায় ছিলেন প্রধান অভিযুক্ত ওমর ছাকি ফেরদৌস পলাশ। পালিয়ে যাওয়ার সময় আসামিরা দেশীয় অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ে গেছেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মোস্তাক আহম্মেদ বাদী হয়ে আশাশুনি থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেছেন। মামলা নম্বর-২২, তারিখ: ২১ জুন ২০২৬। মামলায় নাশকতার পরিকল্পনা, সহায়তা ও ষড়যন্ত্রের বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
আশাশুনি থানা-পুলিশ জানায়, মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন