বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের সিদ্দিকা পাড়া গ্রামের একমাত্র সংযোগকারী কাঠের সেতুটি এখন এলাকাবাসীর জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। জরাজীর্ণ এই সেতু দিয়েই প্রতিদিন ১০টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সেতুর তক্তা ও খুঁটি পচে গেছে। যেকোনো সময় পুরো কাঠামো ধসে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ওই সেতু পার হওয়ার সময় দুই স্কুলছাত্র নিচে পড়ে গুরুতর আহত হয়। বিকল্প পথ না থাকায় ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে স্থানীয়দের।
সিদ্দিকা পাড়া গ্রামের ব্যবসায়ী মো. আবদুল্লাহ বলেন, ‘সেতুটির অবস্থা খুবই বিপজ্জনক। খুঁটি ও তক্তা ভেঙে যাওয়ায় এটি এখন চলাচলের অনুপযোগী। আমরা চরম আতঙ্কে আছি।’
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা যুবদলের সভাপতি আবু সোফিয়ান চৌধুরী জানান, শিক্ষার্থী ছাড়াও কৃষক, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের উপজেলা সদরে আসার একমাত্র পথ এটি। এই ভাঙা সেতুর কারণে এলাকার উৎপাদিত কৃষি পণ্য বাজারজাত করতেও সমস্যা হচ্ছে।
শুক্রবার (১৯ জুন) ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি পরিদর্শন করেছেন সদর ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক মাহাবুব এলাহী। তিনি স্থানীয়দের সমস্যার কথা শোনেন এবং বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, মাঝে মাঝে অস্থায়ীভাবে কিছু তক্তা লাগিয়ে মেরামত করা হলেও তা টেকসই হচ্ছে না।
এলাকাবাসীর দাবি, বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) যেন এখানে একটি টেকসই ও স্থায়ী পাকা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয়।
/

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের সিদ্দিকা পাড়া গ্রামের একমাত্র সংযোগকারী কাঠের সেতুটি এখন এলাকাবাসীর জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। জরাজীর্ণ এই সেতু দিয়েই প্রতিদিন ১০টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সেতুর তক্তা ও খুঁটি পচে গেছে। যেকোনো সময় পুরো কাঠামো ধসে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ওই সেতু পার হওয়ার সময় দুই স্কুলছাত্র নিচে পড়ে গুরুতর আহত হয়। বিকল্প পথ না থাকায় ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে স্থানীয়দের।
সিদ্দিকা পাড়া গ্রামের ব্যবসায়ী মো. আবদুল্লাহ বলেন, ‘সেতুটির অবস্থা খুবই বিপজ্জনক। খুঁটি ও তক্তা ভেঙে যাওয়ায় এটি এখন চলাচলের অনুপযোগী। আমরা চরম আতঙ্কে আছি।’
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা যুবদলের সভাপতি আবু সোফিয়ান চৌধুরী জানান, শিক্ষার্থী ছাড়াও কৃষক, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের উপজেলা সদরে আসার একমাত্র পথ এটি। এই ভাঙা সেতুর কারণে এলাকার উৎপাদিত কৃষি পণ্য বাজারজাত করতেও সমস্যা হচ্ছে।
শুক্রবার (১৯ জুন) ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি পরিদর্শন করেছেন সদর ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক মাহাবুব এলাহী। তিনি স্থানীয়দের সমস্যার কথা শোনেন এবং বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, মাঝে মাঝে অস্থায়ীভাবে কিছু তক্তা লাগিয়ে মেরামত করা হলেও তা টেকসই হচ্ছে না।
এলাকাবাসীর দাবি, বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) যেন এখানে একটি টেকসই ও স্থায়ী পাকা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয়।
/

আপনার মতামত লিখুন