সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বল্লী মো. মুজিবুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এ কে এম আজহারুজ্জামান মুকুলের অপসারণ ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী, অভিভাবক ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২৪ জুন) সকাল ১০টায় বিদ্যালয় সংলগ্ন বল্লী বাজার এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, আজহারুজ্জামান জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পেয়ে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বিদ্যালয়ের দায়িত্ব দখল করে আছেন। তার কর্মকাণ্ডে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও শিক্ষার পরিবেশ চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।
বক্তাদের দাবি, গত ২২ জুন শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ রাখা, শিক্ষক-অভিভাবকদের সঙ্গে অসদাচরণ এবং ক্লাস চলাকালে দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেওয়াসহ নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত এই শিক্ষক। মানববন্ধনের ব্যানারে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা, শিক্ষার্থী নির্যাতন ও প্রাণনাশের হুমকির মতো গুরুতর অভিযোগও তুলে ধরা হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন বল্লী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সেলিম আক্তার মন্টু, ইউপি সদস্য রবিউল ইসলাম, সাবেক সেনা সদস্য মো. মিজানুর রহমান প্রমুখ। বক্তারা অবিলম্বে এই শিক্ষকের অপসারণ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনি ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
/

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বল্লী মো. মুজিবুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এ কে এম আজহারুজ্জামান মুকুলের অপসারণ ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী, অভিভাবক ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২৪ জুন) সকাল ১০টায় বিদ্যালয় সংলগ্ন বল্লী বাজার এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, আজহারুজ্জামান জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পেয়ে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বিদ্যালয়ের দায়িত্ব দখল করে আছেন। তার কর্মকাণ্ডে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও শিক্ষার পরিবেশ চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।
বক্তাদের দাবি, গত ২২ জুন শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ রাখা, শিক্ষক-অভিভাবকদের সঙ্গে অসদাচরণ এবং ক্লাস চলাকালে দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেওয়াসহ নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত এই শিক্ষক। মানববন্ধনের ব্যানারে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা, শিক্ষার্থী নির্যাতন ও প্রাণনাশের হুমকির মতো গুরুতর অভিযোগও তুলে ধরা হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন বল্লী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সেলিম আক্তার মন্টু, ইউপি সদস্য রবিউল ইসলাম, সাবেক সেনা সদস্য মো. মিজানুর রহমান প্রমুখ। বক্তারা অবিলম্বে এই শিক্ষকের অপসারণ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনি ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
/

আপনার মতামত লিখুন