ভারী বৃষ্টি আর ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের সব কটি ফটক খুলে দেওয়ায় তিস্তা নদীর পানি বেড়ে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি ফটকই খুলে দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। এতে নদী তীরবর্তী নিচু এলাকা ও রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন চরের বাসিন্দারা।
বুধবার (২৪ জুন) সকাল ৬টায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। মঙ্গলবার (২৩ জুন) বেলা ৩ টায় পানি বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল। পানি বাড়া-কমার ফলে নদী তীরবর্তী এলাকায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদীপাড়ের মানুষ।
ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকার নিম্নাঞ্চল, রাস্তা ও ফসলি জমিতে পানি প্রবেশ করেছে। এতে চরের বাদাম, পাট ও আমন ধানের বীজতলা ডুবে গেছে।
পাউবো জানিয়েছে, আগামী দুই থেকে তিন দিন ভারী বৃষ্টি ও উজানের ঢল অব্যাহত থাকতে পারে। এতে লালমনিরহাট, রংপুর, নীলফামারী, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলার বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। নদী তীরবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
/

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
ভারী বৃষ্টি আর ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের সব কটি ফটক খুলে দেওয়ায় তিস্তা নদীর পানি বেড়ে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি ফটকই খুলে দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। এতে নদী তীরবর্তী নিচু এলাকা ও রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন চরের বাসিন্দারা।
বুধবার (২৪ জুন) সকাল ৬টায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। মঙ্গলবার (২৩ জুন) বেলা ৩ টায় পানি বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল। পানি বাড়া-কমার ফলে নদী তীরবর্তী এলাকায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদীপাড়ের মানুষ।
ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকার নিম্নাঞ্চল, রাস্তা ও ফসলি জমিতে পানি প্রবেশ করেছে। এতে চরের বাদাম, পাট ও আমন ধানের বীজতলা ডুবে গেছে।
পাউবো জানিয়েছে, আগামী দুই থেকে তিন দিন ভারী বৃষ্টি ও উজানের ঢল অব্যাহত থাকতে পারে। এতে লালমনিরহাট, রংপুর, নীলফামারী, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলার বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। নদী তীরবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
/

আপনার মতামত লিখুন