কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী কোহিনুর আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে তমিজা খাতুন সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা এই কর্মসূচি পালন করেন।
মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি উপজেলা সদরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন তমিজা খাতুন সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক খালেদা আক্তার, সহকারী শিক্ষক আমিনুল ইসলাম, আহসান হাবিব, হাজী তায়েব উদ্দিন উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জুনায়েদুল ইসলাম ও মিঠামইন সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতা সাইফুল ইসলাম প্রমুখ। বক্তারা কোহিনুর হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেফতার ও সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবি জানান।
অভিযোগ উঠেছে, প্রেমের প্রলোভন দেখিয়ে হৃদয় মিয়া নামের এক যুবক তমিজা খাতুন সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী কোহিনুরকে ডেকে নেন। পরে তাকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণের পর হত্যা করে হাত-পা বেঁধে হাওরের পানিতে ফেলে দেওয়া হয়। রোববার (২৮ জুন) রাতে থানা থেকে কিছুটা দূরে আবদুল হামিদ পল্লীর পাশে কোহিনুরের হাত-পা বাঁধা মরদেহ দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই মরদেহটি স্রোতে ভেসে যায়। এখন পর্যন্ত মরদেহটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করতে নৌ-পুলিশের সহায়তায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে হৃদয় মিয়া ও ইমরান হোসেন নামের ২ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/

বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী কোহিনুর আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে তমিজা খাতুন সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা এই কর্মসূচি পালন করেন।
মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি উপজেলা সদরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন তমিজা খাতুন সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক খালেদা আক্তার, সহকারী শিক্ষক আমিনুল ইসলাম, আহসান হাবিব, হাজী তায়েব উদ্দিন উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জুনায়েদুল ইসলাম ও মিঠামইন সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতা সাইফুল ইসলাম প্রমুখ। বক্তারা কোহিনুর হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেফতার ও সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবি জানান।
অভিযোগ উঠেছে, প্রেমের প্রলোভন দেখিয়ে হৃদয় মিয়া নামের এক যুবক তমিজা খাতুন সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী কোহিনুরকে ডেকে নেন। পরে তাকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণের পর হত্যা করে হাত-পা বেঁধে হাওরের পানিতে ফেলে দেওয়া হয়। রোববার (২৮ জুন) রাতে থানা থেকে কিছুটা দূরে আবদুল হামিদ পল্লীর পাশে কোহিনুরের হাত-পা বাঁধা মরদেহ দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই মরদেহটি স্রোতে ভেসে যায়। এখন পর্যন্ত মরদেহটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করতে নৌ-পুলিশের সহায়তায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে হৃদয় মিয়া ও ইমরান হোসেন নামের ২ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/

আপনার মতামত লিখুন