টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় মাসুদ মিয়া (৪৫) নামের এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (৫ জুলাই) সকালে উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের কুইজবাড়ী এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত মাসুদ ওই গ্রামেরই বাসিন্দা ছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আজ ভোর সাড়ে ৫টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দারা কুইজবাড়ী এলাকায় মাসুদের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য মো. ফরহাদ আলীকে বিষয়টি জানানো হয়।
ইউপি সদস্য ফরহাদ আলী বলেন, “খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করি। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। এটি নিঃসন্দেহে হত্যাকাণ্ড। কারণ, তার একটি কান কাটা এবং মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।”
টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে একে হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
/

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় মাসুদ মিয়া (৪৫) নামের এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (৫ জুলাই) সকালে উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের কুইজবাড়ী এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত মাসুদ ওই গ্রামেরই বাসিন্দা ছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আজ ভোর সাড়ে ৫টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দারা কুইজবাড়ী এলাকায় মাসুদের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য মো. ফরহাদ আলীকে বিষয়টি জানানো হয়।
ইউপি সদস্য ফরহাদ আলী বলেন, “খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করি। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। এটি নিঃসন্দেহে হত্যাকাণ্ড। কারণ, তার একটি কান কাটা এবং মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।”
টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে একে হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
/

আপনার মতামত লিখুন