বিশ্বকাপের মঞ্চে যখন কোয়ার্টার ফাইনালের পারদ তুঙ্গে, যখন প্রতিপক্ষ শিবিরের ‘গোলমেশিন’ আর্লিং হলান্ডকে থামানোর জন্য বিনিদ্র রজনী কাটছে ডিফেন্ডারদের, ঠিক তখনই এক অদ্ভুত ভালো লাগার গল্প শোনালেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন। মাঠের চিরচেনা ফুটবল ছেড়ে সবুজ ঘাসের বুকে গলফ ক্লাবের রাজকীয় লড়াই আর ডোনাল্ড ট্রাম্পের আতিথেয়তা, সব মিলিয়ে এক অন্যরকম আড্ডার স্মৃতিকাতরতা ছুঁয়ে গেল মিয়ামির সংবাদ সম্মেলনকে। নরওয়ের বিপক্ষে মহাগুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ের আগে কেইন যখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে গলফ খেলার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিচ্ছিলেন, তখন ফুটবলীয় উত্তেজনার মাঝেও এক চিলতে মানবিক আর রোমাঞ্চকর ছোঁয়া পেল ক্রীড়াবিশ্ব।
প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণে ফ্লোরিডার সেই ‘অবাস্তব’ সবুজ প্রান্তর
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে হ্যারি কেইনের গলফ খেলার খবরটি পুরোনো হলেও, খোদ কেইনের মুখে সেই গল্প শোনা ছিল এক দারুণ অভিজ্ঞতা। প্রায় ১৮ মাস আগে ফ্লোরিডার পাম বিচে ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল গলফ ক্লাবে ঘটেছিল সেই রাজকীয় মিলনমেলা। সেদিনের অভিজ্ঞতাকে ‘অন্য রকম’ এবং ‘অবাস্তব মনে হওয়ার মতো’ বলে আখ্যা দিয়ে কেইন বলেন, “প্রায় ১৮ মাস আগে তার সঙ্গে গলফ খেলেছিলাম। তখন আমি পাম বিচে ছিলাম। তিনি আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। আর প্রেসিডেন্ট যখন কোথাও আমন্ত্রণ জানান, তখন সেটি তো বিশেষ ব্যাপারই। তার সঙ্গে দেখা করা এবং গলফ খেলা- সব মিলিয়ে সত্যিই অন্য রকম এক অভিজ্ঞতা ছিল।”
নিজের গলফ খেলার দক্ষতার ব্যাপারে বরাবরের মতোই বিনয়ী কেইন হাসতে হাসতে যোগ করেন, “মন্দ খেলিনি, বলতে পারেন।” অন্যদিকে ট্রাম্পও কিন্তু বায়ার্ন মিউনিখ তারকার প্রশংসায় মেতেছিলেন। কেইনের খেলার প্রশংসা করে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, “আমি মনে করি, কেন অসাধারণ একজন খেলোয়াড়। আমি ওর সঙ্গে গলফ খেলেছি। ওকে আমার খুব ভালো লাগে। গলফও বেশ ভালো খেলে।”
ট্রাম্পের এমন দক্ষতায় মুগ্ধ কেইন আরও বলেন, “সত্যি বলতে, তাঁর গলফ বেশ ভালো। আশা করি, তার বয়সে পৌঁছে আমিও এভাবে গলফ খেলতে পারব। অভিজ্ঞতাটা ছিল একেবারেই ব্যতিক্রমী। আমন্ত্রণ জানানোয় আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞ।”
হলান্ডকে থামানোর মন্ত্র: ওডেগার্ডের পায়ে শিকল পরাও
গলফের রোমাঞ্চকর গল্প শেষে থ্রি লায়ন্সদের আবার ফিরতে হচ্ছে রুূঢ় বাস্তবতায়। আজ রাত ৩টায় সেমিফাইনালের টিকিটের লড়াইয়ে তাদের মুখোমুখি হতে হচ্ছে অপ্রতিরোধ্য নরওয়ের। আর নরওয়ে মানেই এই মুহূর্তে এক আতঙ্কের নাম; আর্লিং হলান্ড। চলতি বিশ্বকাপে চার ম্যাচে ৭ গোল করে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে একাই তছনছ করে দিচ্ছেন তিনি। তবে প্রিমিয়ার লিগের সাবেক তারকা গোলকিপার ব্র্যাড ফ্রিডেল মনে করেন, হলান্ডকে আটকে রাখার চেয়েও বড় কাজ হলো তার রসদ সরবরাহ বন্ধ করা।
ফ্রিডেলের মতে, আসল চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে আর্সেনাল অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ডের পায়ে। ফ্রিডেল বলেন, “আপনি চাইলেই কেবল আর্লিং হলান্ডকে থামিয়ে দিতে পারবেন না—আসলে একটা ম্যাচে সে খুব বেশি বল স্পর্শও করে না। মূল বিষয় হলো তার কাছে বলের জোগান বা সার্ভিস সীমিত করা। আপনি যদি ওদের উইঙ্গার আর ফুল-ব্যাকদের ক্রস করার সুযোগ করে দেন, তবে বিশ্বের সেরা ডিফেন্ডারদের জন্যও হলান্ডকে লাফিয়ে ওঠা বা মার্কারের সামনে এসে বল কেড়ে নেওয়া আটকানো কঠিন হয়ে পড়বে।”
ওডেগার্ডের কার্যকারিতা কমানোর ওপর জোর দিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, “আপনার প্রথম কাজ হবে হলান্ডের কাছে বল পৌঁছানো বন্ধ করা। অবশ্য এরপরেও হালান্ড শূন্য থেকেই সুযোগ তৈরি করে নিতে পারে, সে এই কাজে অসাধারণ। নরওয়ে দলে মার্টিন ওডেগার্ডই সবচেয়ে বেশি বলের ছোঁয়া পায়, তাই ওডেগার্ডের কার্যকারিতা আপনাকে কমিয়ে আনতে হবে। তবে তারা একজনের ওপর নির্ভরশীল দল নয়—ওদের আন্তোনিও নুসা, অস্কার ববের মতো আরও অনেক বিপজ্জনক খেলোয়াড় রয়েছে।”
এদিকে নরওয়ের প্রধান কোচ স্তালে সলবাকেনও তার অধিনায়কের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে বলেন, “আমাদের দলে ও অমূল্য। নরওয়ের হয়ে ও কখনোই প্রথাগত নাম্বার টেন হিসেবে খেলেনি। ও সবসময়ই একজন 'টু-ওয়ে' খেলোয়াড়, যে ম্যাচের সবকটি অংশেই প্রভাব বিস্তার করতে পারে।”
বেলিংহামের পায়ে জিজুর ছায়া, জেরার্ডের এনার্জি
নরওয়ে যখন থ্রি লায়ন্সদের বধের ছক কষছে, তখন তাদের মূল লক্ষ্য থাকবে টমাস টুখেলের দলের তুরুপের তাস জুড বেলিংহাম। গত এক মাস ধরে বেলিংহাম যা খেলছেন, তাকে এককথায় বিশ্বমানের বলছেন ফ্রিডেল। বেলিংহামের মাঝে জিনেদিন জিদান ও স্টিভেন জেরার্ডের ছায়া দেখছেন এই সাবেক গোলকিপার। তিনি বলেন, “আমার দেখা সেরাদের কাতারে একদম প্রথম সারিতে থাকবে জুড বেলিংহাম। মাঠে ওর মুভমেন্ট বা নড়াচড়া আমাকে জিনেদিন জিদানের কথা মনে করিয়ে দেয়। এমনকি অল্প জায়গায় টেকনিক্যালিও বেলিংহাম দারুণ দক্ষ।”
মাঠের সর্বত্র বেলিংহামের উপস্থিতির কথা উল্লেখ করে ফ্রিডেল আরও বলেন, “জুডের ৮ নম্বর এবং ১০ নম্বর উভয় পজিশনেই খেলার ক্ষমতা আছে। ও নিচে নেমে ডিফেন্সকে সাহায্য করে, ট্যাকল করতে পারে, দুই বক্সেই শূন্যে ভালো এবং প্রয়োজনে রক্ষণে এসে গুরুত্বপূর্ণ ক্লিয়ারেন্সও করতে পারে। ও মাঠের বিশাল অংশ জুড়ে খেলে; এই দিক থেকে আমি ওকে স্টিভেন জেরার্ডের সঙ্গে তুলনা করতে পারি।”
আজকের রাতটি তাই শুধু দুই দলের লড়াই নয়, এটি কৌশল, মস্তিস্ক আর মাঠের পারফরম্যান্সের এক পরম যুদ্ধ, যেখানে একপাশে থাকবে ট্রাম্পের আমন্ত্রণে রোমাঞ্চিত কেইন, আর অন্যপাশে নরওয়ের গোলমেশিন হলান্ড।

শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপের মঞ্চে যখন কোয়ার্টার ফাইনালের পারদ তুঙ্গে, যখন প্রতিপক্ষ শিবিরের ‘গোলমেশিন’ আর্লিং হলান্ডকে থামানোর জন্য বিনিদ্র রজনী কাটছে ডিফেন্ডারদের, ঠিক তখনই এক অদ্ভুত ভালো লাগার গল্প শোনালেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন। মাঠের চিরচেনা ফুটবল ছেড়ে সবুজ ঘাসের বুকে গলফ ক্লাবের রাজকীয় লড়াই আর ডোনাল্ড ট্রাম্পের আতিথেয়তা, সব মিলিয়ে এক অন্যরকম আড্ডার স্মৃতিকাতরতা ছুঁয়ে গেল মিয়ামির সংবাদ সম্মেলনকে। নরওয়ের বিপক্ষে মহাগুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ের আগে কেইন যখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে গলফ খেলার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিচ্ছিলেন, তখন ফুটবলীয় উত্তেজনার মাঝেও এক চিলতে মানবিক আর রোমাঞ্চকর ছোঁয়া পেল ক্রীড়াবিশ্ব।
প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণে ফ্লোরিডার সেই ‘অবাস্তব’ সবুজ প্রান্তর
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে হ্যারি কেইনের গলফ খেলার খবরটি পুরোনো হলেও, খোদ কেইনের মুখে সেই গল্প শোনা ছিল এক দারুণ অভিজ্ঞতা। প্রায় ১৮ মাস আগে ফ্লোরিডার পাম বিচে ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল গলফ ক্লাবে ঘটেছিল সেই রাজকীয় মিলনমেলা। সেদিনের অভিজ্ঞতাকে ‘অন্য রকম’ এবং ‘অবাস্তব মনে হওয়ার মতো’ বলে আখ্যা দিয়ে কেইন বলেন, “প্রায় ১৮ মাস আগে তার সঙ্গে গলফ খেলেছিলাম। তখন আমি পাম বিচে ছিলাম। তিনি আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। আর প্রেসিডেন্ট যখন কোথাও আমন্ত্রণ জানান, তখন সেটি তো বিশেষ ব্যাপারই। তার সঙ্গে দেখা করা এবং গলফ খেলা- সব মিলিয়ে সত্যিই অন্য রকম এক অভিজ্ঞতা ছিল।”
নিজের গলফ খেলার দক্ষতার ব্যাপারে বরাবরের মতোই বিনয়ী কেইন হাসতে হাসতে যোগ করেন, “মন্দ খেলিনি, বলতে পারেন।” অন্যদিকে ট্রাম্পও কিন্তু বায়ার্ন মিউনিখ তারকার প্রশংসায় মেতেছিলেন। কেইনের খেলার প্রশংসা করে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, “আমি মনে করি, কেন অসাধারণ একজন খেলোয়াড়। আমি ওর সঙ্গে গলফ খেলেছি। ওকে আমার খুব ভালো লাগে। গলফও বেশ ভালো খেলে।”
ট্রাম্পের এমন দক্ষতায় মুগ্ধ কেইন আরও বলেন, “সত্যি বলতে, তাঁর গলফ বেশ ভালো। আশা করি, তার বয়সে পৌঁছে আমিও এভাবে গলফ খেলতে পারব। অভিজ্ঞতাটা ছিল একেবারেই ব্যতিক্রমী। আমন্ত্রণ জানানোয় আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞ।”
হলান্ডকে থামানোর মন্ত্র: ওডেগার্ডের পায়ে শিকল পরাও
গলফের রোমাঞ্চকর গল্প শেষে থ্রি লায়ন্সদের আবার ফিরতে হচ্ছে রুূঢ় বাস্তবতায়। আজ রাত ৩টায় সেমিফাইনালের টিকিটের লড়াইয়ে তাদের মুখোমুখি হতে হচ্ছে অপ্রতিরোধ্য নরওয়ের। আর নরওয়ে মানেই এই মুহূর্তে এক আতঙ্কের নাম; আর্লিং হলান্ড। চলতি বিশ্বকাপে চার ম্যাচে ৭ গোল করে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে একাই তছনছ করে দিচ্ছেন তিনি। তবে প্রিমিয়ার লিগের সাবেক তারকা গোলকিপার ব্র্যাড ফ্রিডেল মনে করেন, হলান্ডকে আটকে রাখার চেয়েও বড় কাজ হলো তার রসদ সরবরাহ বন্ধ করা।
ফ্রিডেলের মতে, আসল চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে আর্সেনাল অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ডের পায়ে। ফ্রিডেল বলেন, “আপনি চাইলেই কেবল আর্লিং হলান্ডকে থামিয়ে দিতে পারবেন না—আসলে একটা ম্যাচে সে খুব বেশি বল স্পর্শও করে না। মূল বিষয় হলো তার কাছে বলের জোগান বা সার্ভিস সীমিত করা। আপনি যদি ওদের উইঙ্গার আর ফুল-ব্যাকদের ক্রস করার সুযোগ করে দেন, তবে বিশ্বের সেরা ডিফেন্ডারদের জন্যও হলান্ডকে লাফিয়ে ওঠা বা মার্কারের সামনে এসে বল কেড়ে নেওয়া আটকানো কঠিন হয়ে পড়বে।”
ওডেগার্ডের কার্যকারিতা কমানোর ওপর জোর দিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, “আপনার প্রথম কাজ হবে হলান্ডের কাছে বল পৌঁছানো বন্ধ করা। অবশ্য এরপরেও হালান্ড শূন্য থেকেই সুযোগ তৈরি করে নিতে পারে, সে এই কাজে অসাধারণ। নরওয়ে দলে মার্টিন ওডেগার্ডই সবচেয়ে বেশি বলের ছোঁয়া পায়, তাই ওডেগার্ডের কার্যকারিতা আপনাকে কমিয়ে আনতে হবে। তবে তারা একজনের ওপর নির্ভরশীল দল নয়—ওদের আন্তোনিও নুসা, অস্কার ববের মতো আরও অনেক বিপজ্জনক খেলোয়াড় রয়েছে।”
এদিকে নরওয়ের প্রধান কোচ স্তালে সলবাকেনও তার অধিনায়কের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে বলেন, “আমাদের দলে ও অমূল্য। নরওয়ের হয়ে ও কখনোই প্রথাগত নাম্বার টেন হিসেবে খেলেনি। ও সবসময়ই একজন 'টু-ওয়ে' খেলোয়াড়, যে ম্যাচের সবকটি অংশেই প্রভাব বিস্তার করতে পারে।”
বেলিংহামের পায়ে জিজুর ছায়া, জেরার্ডের এনার্জি
নরওয়ে যখন থ্রি লায়ন্সদের বধের ছক কষছে, তখন তাদের মূল লক্ষ্য থাকবে টমাস টুখেলের দলের তুরুপের তাস জুড বেলিংহাম। গত এক মাস ধরে বেলিংহাম যা খেলছেন, তাকে এককথায় বিশ্বমানের বলছেন ফ্রিডেল। বেলিংহামের মাঝে জিনেদিন জিদান ও স্টিভেন জেরার্ডের ছায়া দেখছেন এই সাবেক গোলকিপার। তিনি বলেন, “আমার দেখা সেরাদের কাতারে একদম প্রথম সারিতে থাকবে জুড বেলিংহাম। মাঠে ওর মুভমেন্ট বা নড়াচড়া আমাকে জিনেদিন জিদানের কথা মনে করিয়ে দেয়। এমনকি অল্প জায়গায় টেকনিক্যালিও বেলিংহাম দারুণ দক্ষ।”
মাঠের সর্বত্র বেলিংহামের উপস্থিতির কথা উল্লেখ করে ফ্রিডেল আরও বলেন, “জুডের ৮ নম্বর এবং ১০ নম্বর উভয় পজিশনেই খেলার ক্ষমতা আছে। ও নিচে নেমে ডিফেন্সকে সাহায্য করে, ট্যাকল করতে পারে, দুই বক্সেই শূন্যে ভালো এবং প্রয়োজনে রক্ষণে এসে গুরুত্বপূর্ণ ক্লিয়ারেন্সও করতে পারে। ও মাঠের বিশাল অংশ জুড়ে খেলে; এই দিক থেকে আমি ওকে স্টিভেন জেরার্ডের সঙ্গে তুলনা করতে পারি।”
আজকের রাতটি তাই শুধু দুই দলের লড়াই নয়, এটি কৌশল, মস্তিস্ক আর মাঠের পারফরম্যান্সের এক পরম যুদ্ধ, যেখানে একপাশে থাকবে ট্রাম্পের আমন্ত্রণে রোমাঞ্চিত কেইন, আর অন্যপাশে নরওয়ের গোলমেশিন হলান্ড।

আপনার মতামত লিখুন