ইরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দরে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। হামলায় বন্দরের একটি সামুদ্রিক ট্রাফিক কন্ট্রোল বা নজরদারি টাওয়ার সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের ক্রমাগত হামলার জবাবে এই পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধসে পড়া টাওয়ারের ছবি প্রকাশ করেছেন।
ইরানের আধা সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ জানায়, মার্কিন বাহিনী তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে চাবাহার বন্দরের প্রধান নজরদারি টাওয়ারটি গুঁড়িয়ে দেয়। হামলায় ভারতের সহায়তায় নির্মিত ‘শহিদ বেহেশতি’ ডকসহ দুটি প্রধান সমুদ্র জেটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইরান এই হামলাকে ‘জঘন্য ঘটনা’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেছে, এটি একটি সম্পূর্ণ বেসামরিক স্থাপনা ছিল যা জেলেদের উদ্ধারকাজ ও নৌচলাচলের নিরাপত্তায় ব্যবহৃত হতো।
চাবাহার ছাড়াও ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমোজগান প্রদেশে বিদ্যুৎ অবকাঠামো এবং সড়ক ও রেল সেতু লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে দেশটির বিদ্যুৎ গ্রিডের ওপর চরম চাপ সৃষ্টি হয়েছে। তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে নাগরিকদের বিদ্যুৎ ব্যবহার কমানোর আহ্বান জানিয়েছে ইরানের জ্বালানি মন্ত্রণালয়।
এদিকে মার্কিন হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে ইরান। কুয়েত, কাতার, জর্ডান ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। কুয়েতের একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পানি শোধনাগার কেন্দ্র ইরানের হামলায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে।
সূত্র: আলজাজিরা
/

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬
ইরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ চাবাহার বন্দরে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। হামলায় বন্দরের একটি সামুদ্রিক ট্রাফিক কন্ট্রোল বা নজরদারি টাওয়ার সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের ক্রমাগত হামলার জবাবে এই পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধসে পড়া টাওয়ারের ছবি প্রকাশ করেছেন।
ইরানের আধা সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ জানায়, মার্কিন বাহিনী তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে চাবাহার বন্দরের প্রধান নজরদারি টাওয়ারটি গুঁড়িয়ে দেয়। হামলায় ভারতের সহায়তায় নির্মিত ‘শহিদ বেহেশতি’ ডকসহ দুটি প্রধান সমুদ্র জেটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইরান এই হামলাকে ‘জঘন্য ঘটনা’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেছে, এটি একটি সম্পূর্ণ বেসামরিক স্থাপনা ছিল যা জেলেদের উদ্ধারকাজ ও নৌচলাচলের নিরাপত্তায় ব্যবহৃত হতো।
চাবাহার ছাড়াও ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমোজগান প্রদেশে বিদ্যুৎ অবকাঠামো এবং সড়ক ও রেল সেতু লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে দেশটির বিদ্যুৎ গ্রিডের ওপর চরম চাপ সৃষ্টি হয়েছে। তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে নাগরিকদের বিদ্যুৎ ব্যবহার কমানোর আহ্বান জানিয়েছে ইরানের জ্বালানি মন্ত্রণালয়।
এদিকে মার্কিন হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে ইরান। কুয়েত, কাতার, জর্ডান ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। কুয়েতের একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পানি শোধনাগার কেন্দ্র ইরানের হামলায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে।
সূত্র: আলজাজিরা
/

আপনার মতামত লিখুন