বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে পরাজিত হলেও নতুন দায়িত্ব পেলেন একসময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সরকারি চলচ্চিত্র অনুদান নির্বাচন কমিটির সদস্য হিসেবে তাকে অন্তর্ভুক্ত করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (৯
জুলাই) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোছা. শারমিন আখতার স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে
সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্র নির্বাচন কমিটি পুনর্গঠনের তথ্য জানানো হয়। নতুন ১১ সদস্যের
এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে রুমানা ইসলাম মুক্তিকে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা
করেছিলেন মুক্তি। তবে তিনি নির্বাচিত হতে পারেননি। নির্বাচনের পরপরই সরকারি গুরুত্বপূর্ণ
এ কমিটিতে তার অন্তর্ভুক্তি চলচ্চিত্র অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী,
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীকে সভাপতি এবং যুগ্মসচিব (চলচ্চিত্র)কে সদস্য সচিব করে কমিটি
গঠন করা হয়েছে। এছাড়া কমিটিতে রয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী, প্রধান উপদেষ্টার
তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা, মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিব
(চলচ্চিত্র), বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক,
প্রযোজক সরদার সানিয়াত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ
বিভাগের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম এবং চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি
আওলাদ হোসেন উজ্জ্বল।
সরকারি অনুদান প্রদান
নীতিমালা-২০২৫ (সংশোধিত) অনুযায়ী, পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের জন্য জমা পড়া প্রকল্পগুলো
পর্যালোচনা করে কোন কোন চলচ্চিত্র সরকারি অনুদান পাবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
দেবে এই কমিটি।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে পরাজিত হলেও নতুন দায়িত্ব পেলেন একসময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সরকারি চলচ্চিত্র অনুদান নির্বাচন কমিটির সদস্য হিসেবে তাকে অন্তর্ভুক্ত করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (৯
জুলাই) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোছা. শারমিন আখতার স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে
সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্র নির্বাচন কমিটি পুনর্গঠনের তথ্য জানানো হয়। নতুন ১১ সদস্যের
এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে রুমানা ইসলাম মুক্তিকে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা
করেছিলেন মুক্তি। তবে তিনি নির্বাচিত হতে পারেননি। নির্বাচনের পরপরই সরকারি গুরুত্বপূর্ণ
এ কমিটিতে তার অন্তর্ভুক্তি চলচ্চিত্র অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী,
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীকে সভাপতি এবং যুগ্মসচিব (চলচ্চিত্র)কে সদস্য সচিব করে কমিটি
গঠন করা হয়েছে। এছাড়া কমিটিতে রয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী, প্রধান উপদেষ্টার
তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা, মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিব
(চলচ্চিত্র), বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক,
প্রযোজক সরদার সানিয়াত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ
বিভাগের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম এবং চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি
আওলাদ হোসেন উজ্জ্বল।
সরকারি অনুদান প্রদান
নীতিমালা-২০২৫ (সংশোধিত) অনুযায়ী, পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের জন্য জমা পড়া প্রকল্পগুলো
পর্যালোচনা করে কোন কোন চলচ্চিত্র সরকারি অনুদান পাবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
দেবে এই কমিটি।

আপনার মতামত লিখুন