মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মিরকাদিম পৌরসভার রিকাবীবাজার এলাকার সড়কটি এখন খানাখন্দে ভরা। এর ফলে পৌরবাসীর ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। সড়কটি চলাচলের প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সদর উপজেলার পঞ্চসার ইউনিয়নের সীমানা শেষ হওয়ার পর রিকাবীবাজারের দুধপট্টি সেতু থেকে গুড়পট্টি পর্যন্ত সড়কের অধিকাংশ স্থানে বড় বড় গর্ত ও ফাটল তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে সড়কটির অবস্থা আরও নাজুক হয়ে পড়েছে। খানাখন্দের কারণে এই পথে কোনো যানবাহন চলাচল করতে চায় না। অনেক ক্ষেত্রে চালকেরা অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করছেন। ফলে সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের অনেকটা পথ পায়ে হেঁটে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সড়কটি সচল রাখতে তারা নিজ উদ্যোগে মাঝেমধ্যে মাটি ও ইট ফেলে সংস্কারের চেষ্টা করেন। তবে বৃষ্টি হলে সেই মাটি ধুয়ে গিয়ে আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসে। গুড়পট্টি এলাকায় রাস্তার বেহাল দশার কারণে একবার একটি হোটেলের জ্বলন্ত চুলা থেকে কড়াই রাস্তায় ছিটকে পড়ে এক পথচারীর মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে। এত বড় দুর্ঘটনার পরও রাস্তা সংস্কারে কোনো কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
মুন্সীগঞ্জ সদর থেকে মিরকাদিম পৌরসভায় প্রবেশের প্রধান পথ এই দুধপট্টির সড়কটি। এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সব স্থানে যাওয়ার জন্য এই সড়কই একমাত্র ভরসা। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় এই গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কটির এমন করুণ দশা হয়েছে।
এ বিষয়ে মিরকাদিম পৌরসভার প্রকৌশলী কাইউম চৌধুরী বলেন, ‘সড়কটি সংস্কারের জন্য ইতিমধ্যে দরপত্র (টেন্ডার) আহ্বান করা হয়েছে। বর্তমানে ড্রেন নির্মাণের কাজ চলছে। ড্রেনের কাজ শেষ হলেই দ্রুত রাস্তার কাজ শুরু হবে।’
/

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মিরকাদিম পৌরসভার রিকাবীবাজার এলাকার সড়কটি এখন খানাখন্দে ভরা। এর ফলে পৌরবাসীর ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। সড়কটি চলাচলের প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সদর উপজেলার পঞ্চসার ইউনিয়নের সীমানা শেষ হওয়ার পর রিকাবীবাজারের দুধপট্টি সেতু থেকে গুড়পট্টি পর্যন্ত সড়কের অধিকাংশ স্থানে বড় বড় গর্ত ও ফাটল তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে সড়কটির অবস্থা আরও নাজুক হয়ে পড়েছে। খানাখন্দের কারণে এই পথে কোনো যানবাহন চলাচল করতে চায় না। অনেক ক্ষেত্রে চালকেরা অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করছেন। ফলে সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের অনেকটা পথ পায়ে হেঁটে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সড়কটি সচল রাখতে তারা নিজ উদ্যোগে মাঝেমধ্যে মাটি ও ইট ফেলে সংস্কারের চেষ্টা করেন। তবে বৃষ্টি হলে সেই মাটি ধুয়ে গিয়ে আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসে। গুড়পট্টি এলাকায় রাস্তার বেহাল দশার কারণে একবার একটি হোটেলের জ্বলন্ত চুলা থেকে কড়াই রাস্তায় ছিটকে পড়ে এক পথচারীর মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে। এত বড় দুর্ঘটনার পরও রাস্তা সংস্কারে কোনো কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
মুন্সীগঞ্জ সদর থেকে মিরকাদিম পৌরসভায় প্রবেশের প্রধান পথ এই দুধপট্টির সড়কটি। এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সব স্থানে যাওয়ার জন্য এই সড়কই একমাত্র ভরসা। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় এই গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কটির এমন করুণ দশা হয়েছে।
এ বিষয়ে মিরকাদিম পৌরসভার প্রকৌশলী কাইউম চৌধুরী বলেন, ‘সড়কটি সংস্কারের জন্য ইতিমধ্যে দরপত্র (টেন্ডার) আহ্বান করা হয়েছে। বর্তমানে ড্রেন নির্মাণের কাজ চলছে। ড্রেনের কাজ শেষ হলেই দ্রুত রাস্তার কাজ শুরু হবে।’
/

আপনার মতামত লিখুন