প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে কংগ্রেসের বিক্ষোভ ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়ল। আটক হওয়া ও শারীরিক হেনস্তার অভিযোগ নিয়ে মুখ খুলে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ব্যক্তিগত ঘটনাকে নয়, দেশের ছাত্রসমাজের সংকটকেই সামনে আনতে হবে।
সাংবাদিক বৈঠকে রাহুল বলেন, ‘আমার সঙ্গে কী আচরণ করা হয়েছে, তা নিয়ে আমি বিন্দুমাত্র চিন্তিত নই। চাইলে আমার ওপর পাঁচ গুণ বেশি অত্যাচার করা হতে পারে। কিন্তু দেশের ছাত্রদের ভবিষ্যৎ, ভেঙে পড়া শিক্ষা ব্যবস্থা এবং বারবার প্রশ্নপত্র ফাঁস— আসল আলোচনার বিষয় হওয়া উচিত।’
এদিকে, নিট-সহ বিভিন্ন পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং আন্দোলনরত পড়ুয়াদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের অভিযোগে বুধবারও (২২ জুলাই) সরগরম থাকে সংসদ। শাসক ও বিরোধী শিবিরের তুমুল বাগ্বিতণ্ডা, স্লোগান ও হট্টগোলের জেরে লোকসভা এবং রাজ্যসভা- দুই কক্ষের কার্যক্রমই ২৩ জুলাই সকাল ১১টা পর্যন্ত মুলতবি করে দিতে হয়।
বিরোধী দলগুলির দাবি, নিয়মিত কার্যসূচি স্থগিত রেখে ‘মুলতবি প্রস্তাব’-এর অধীনে প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং ছাত্র আন্দোলনের বিষয়টি নিয়ে অবিলম্বে আলোচনা করতে হবে। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিও জোরালো করেন বিরোধীরা।
প্রতিবাদের অংশ হিসেবে এদিন কালো পোশাক পরে সংসদে হাজির হন বিরোধী সাংসদরা। কংগ্রেস নেতা পবন খেরা বলেন, ‘দিল্লিতে পড়ুয়াদের উপর পুলিশি অত্যাচার এবং তার পরেও শিক্ষামন্ত্রীকে পদে বহাল রাখা- এই দুইয়ের প্রতিবাদেই আমাদের কালো পোশাক। ছাত্রদের প্রতি সরকারের এই মনোভাব গ্রহণযোগ্য নয়।’
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সময় রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ একাধিক কংগ্রেস নেতাকে আটক করেছিল দিল্লি পুলিশ। পরে তাদের মুক্তি দেওয়া হলেও, সেই ঘটনার রাজনৈতিক রেশ বুধবার সংসদেও স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে।

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে কংগ্রেসের বিক্ষোভ ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়ল। আটক হওয়া ও শারীরিক হেনস্তার অভিযোগ নিয়ে মুখ খুলে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ব্যক্তিগত ঘটনাকে নয়, দেশের ছাত্রসমাজের সংকটকেই সামনে আনতে হবে।
সাংবাদিক বৈঠকে রাহুল বলেন, ‘আমার সঙ্গে কী আচরণ করা হয়েছে, তা নিয়ে আমি বিন্দুমাত্র চিন্তিত নই। চাইলে আমার ওপর পাঁচ গুণ বেশি অত্যাচার করা হতে পারে। কিন্তু দেশের ছাত্রদের ভবিষ্যৎ, ভেঙে পড়া শিক্ষা ব্যবস্থা এবং বারবার প্রশ্নপত্র ফাঁস— আসল আলোচনার বিষয় হওয়া উচিত।’
এদিকে, নিট-সহ বিভিন্ন পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং আন্দোলনরত পড়ুয়াদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের অভিযোগে বুধবারও (২২ জুলাই) সরগরম থাকে সংসদ। শাসক ও বিরোধী শিবিরের তুমুল বাগ্বিতণ্ডা, স্লোগান ও হট্টগোলের জেরে লোকসভা এবং রাজ্যসভা- দুই কক্ষের কার্যক্রমই ২৩ জুলাই সকাল ১১টা পর্যন্ত মুলতবি করে দিতে হয়।
বিরোধী দলগুলির দাবি, নিয়মিত কার্যসূচি স্থগিত রেখে ‘মুলতবি প্রস্তাব’-এর অধীনে প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং ছাত্র আন্দোলনের বিষয়টি নিয়ে অবিলম্বে আলোচনা করতে হবে। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিও জোরালো করেন বিরোধীরা।
প্রতিবাদের অংশ হিসেবে এদিন কালো পোশাক পরে সংসদে হাজির হন বিরোধী সাংসদরা। কংগ্রেস নেতা পবন খেরা বলেন, ‘দিল্লিতে পড়ুয়াদের উপর পুলিশি অত্যাচার এবং তার পরেও শিক্ষামন্ত্রীকে পদে বহাল রাখা- এই দুইয়ের প্রতিবাদেই আমাদের কালো পোশাক। ছাত্রদের প্রতি সরকারের এই মনোভাব গ্রহণযোগ্য নয়।’
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সময় রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ একাধিক কংগ্রেস নেতাকে আটক করেছিল দিল্লি পুলিশ। পরে তাদের মুক্তি দেওয়া হলেও, সেই ঘটনার রাজনৈতিক রেশ বুধবার সংসদেও স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে।

আপনার মতামত লিখুন