যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অব্যাহত সংঘাতের আবহেই বিশ্ব বাণিজ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচল ব্যবস্থার বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে আলোচনার লক্ষ্যে ওমানের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল তেহরানে পৌঁছেছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে ওমানের কূটনীতিকদের একটি দল ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের উদ্দেশ্যে তেহরানে পৌঁছায় বলে নিশ্চিত করেছে কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা ও ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা।
কৌশলগতভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এই প্রণালিটির নিয়ন্ত্রণ এখন ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার চলমান উত্তেজনার প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সাম্প্রতিক যুদ্ধাবস্থায় সংঘাতময় পরিস্থিতির কারণে বিশ্ব বাণিজ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ পথ বন্ধ হয়ে পড়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে তীব্র প্রভাব পড়ছে এবং তেলের দাম ক্রমাগত বাড়ছে। উল্লেখ্য, অঞ্চলটিতে সংঘাত শুরুর পূর্বে বিশ্বের মোট ব্যবহৃত তেল ও গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশই পরিবহন করা হতো এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে।
ইরানি সংবাদ মাধ্যম ইরনা জানিয়েছে, ওমানের এই সফর দুই দেশের মধ্যকার চলমান নিয়মিত কূটনৈতিক আলোচনার অংশ। সফরের বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদির সঙ্গে এক ফোনালাপে সার্বিক পরিস্থিতি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেছেন।
যদিও বৈঠকে উত্থাপিত নির্দিষ্ট প্রস্তাব বা ধারণার বিস্তারিত তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, তবে তেহরানের পক্ষ থেকে ইতো আগেও একাধিকবার জানানো হয়েছে তারা ওমানের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালির নৌচলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে আগ্রহী।
উল্লেখ্য, ভৌগোলিক অবস্থানগত দিক থেকে হরমুজ প্রণালির প্রবেশ ও প্রস্থানপথে ওমানের কৌশলগত অবস্থান রয়েছে। ঐতিহাসিকভাবে দেশটি উপসাগরীয় আরব দেশসমূহ এবং ইরানের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে আসছে এবং আঞ্চলিক বিভিন্ন সংকট মেটাতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে থাকে।

শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অব্যাহত সংঘাতের আবহেই বিশ্ব বাণিজ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচল ব্যবস্থার বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে আলোচনার লক্ষ্যে ওমানের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল তেহরানে পৌঁছেছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে ওমানের কূটনীতিকদের একটি দল ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের উদ্দেশ্যে তেহরানে পৌঁছায় বলে নিশ্চিত করেছে কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা ও ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা।
কৌশলগতভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এই প্রণালিটির নিয়ন্ত্রণ এখন ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার চলমান উত্তেজনার প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সাম্প্রতিক যুদ্ধাবস্থায় সংঘাতময় পরিস্থিতির কারণে বিশ্ব বাণিজ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ পথ বন্ধ হয়ে পড়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে তীব্র প্রভাব পড়ছে এবং তেলের দাম ক্রমাগত বাড়ছে। উল্লেখ্য, অঞ্চলটিতে সংঘাত শুরুর পূর্বে বিশ্বের মোট ব্যবহৃত তেল ও গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশই পরিবহন করা হতো এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে।
ইরানি সংবাদ মাধ্যম ইরনা জানিয়েছে, ওমানের এই সফর দুই দেশের মধ্যকার চলমান নিয়মিত কূটনৈতিক আলোচনার অংশ। সফরের বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদির সঙ্গে এক ফোনালাপে সার্বিক পরিস্থিতি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেছেন।
যদিও বৈঠকে উত্থাপিত নির্দিষ্ট প্রস্তাব বা ধারণার বিস্তারিত তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, তবে তেহরানের পক্ষ থেকে ইতো আগেও একাধিকবার জানানো হয়েছে তারা ওমানের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালির নৌচলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে আগ্রহী।
উল্লেখ্য, ভৌগোলিক অবস্থানগত দিক থেকে হরমুজ প্রণালির প্রবেশ ও প্রস্থানপথে ওমানের কৌশলগত অবস্থান রয়েছে। ঐতিহাসিকভাবে দেশটি উপসাগরীয় আরব দেশসমূহ এবং ইরানের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে আসছে এবং আঞ্চলিক বিভিন্ন সংকট মেটাতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে থাকে।

আপনার মতামত লিখুন