ইউক্রেনের রুশ নিয়ন্ত্রিত জাপোরিঝঝিয়া অঞ্চলের একটি পর্যটন ক্যাম্পে ড্রোন হামলায় ৫ শিশুসহ ১২ জন নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৫ জুলাই) দিবাগত রাতে আজভ সাগর তীরের কিরিলভকা এলাকায় এই ভয়াবহ হামলা ঘটে। রাশিয়ার নিয়োগকৃত স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এই তথ্য জানিয়ে ইউক্রেনীয় বাহিনীকে ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করার জন্য অভিযুক্ত করেছে।
জাপোরিঝঝিয়া অঞ্চলের রুশপন্থী গভর্নর ইয়েভজেনি বালিটস্কি জানিয়েছেন, পর্যটন শহর মেলিতোপোলের কাছে অবস্থিত ওই রিসোর্টে হামলায় আরও ১৯ জন আহত হয়েছেন। ইউক্রেন কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে কিয়েভ ও মস্কো–উভয় পক্ষই বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা এই ঘটনাকে ‘অমানবিক অপরাধ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি দাবি করেন, ড্রোনগুলো যখন আঘাত হানে তখন ক্যাম্পের বাসিন্দারা ঘুমিয়ে ছিলেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, হামলার পর ক্যাম্পের ভবনগুলো বিধ্বস্ত হয়ে গেছে, পুড়ে গেছে সারিবদ্ধ গাড়ি। একটি সুইমিং পুলের পাশে ধ্বংসস্তূপের স্তূপ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। বালিটস্কি জানান, জরুরি পরিষেবা কর্মীরা ধ্বংসস্তূপ থেকে এক শিশুসহ দুইজনকে জীবিত উদ্ধার করেছেন। উদ্ধার অভিযান ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে।
গভর্নর বালিটস্কি টেলিগ্রামে এক বার্তায় বলেন, ‘শত্রুরা জানত এবং বুঝত তারা কাকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। কিয়েভ কর্তৃপক্ষ নৈতিকতার সব নিয়ম উপেক্ষা করে ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক মানুষ ও শিশুদের ধ্বংস করছে।’
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আরআইএ জানিয়েছে, রাশিয়ার তদন্ত কমিটি এই হামলার ঘটনায় একটি সন্ত্রাসবাদ মামলা দায়ের করেছে।
সূত্র : রয়টার্স
\

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
ইউক্রেনের রুশ নিয়ন্ত্রিত জাপোরিঝঝিয়া অঞ্চলের একটি পর্যটন ক্যাম্পে ড্রোন হামলায় ৫ শিশুসহ ১২ জন নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৫ জুলাই) দিবাগত রাতে আজভ সাগর তীরের কিরিলভকা এলাকায় এই ভয়াবহ হামলা ঘটে। রাশিয়ার নিয়োগকৃত স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এই তথ্য জানিয়ে ইউক্রেনীয় বাহিনীকে ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করার জন্য অভিযুক্ত করেছে।
জাপোরিঝঝিয়া অঞ্চলের রুশপন্থী গভর্নর ইয়েভজেনি বালিটস্কি জানিয়েছেন, পর্যটন শহর মেলিতোপোলের কাছে অবস্থিত ওই রিসোর্টে হামলায় আরও ১৯ জন আহত হয়েছেন। ইউক্রেন কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে কিয়েভ ও মস্কো–উভয় পক্ষই বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা এই ঘটনাকে ‘অমানবিক অপরাধ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি দাবি করেন, ড্রোনগুলো যখন আঘাত হানে তখন ক্যাম্পের বাসিন্দারা ঘুমিয়ে ছিলেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, হামলার পর ক্যাম্পের ভবনগুলো বিধ্বস্ত হয়ে গেছে, পুড়ে গেছে সারিবদ্ধ গাড়ি। একটি সুইমিং পুলের পাশে ধ্বংসস্তূপের স্তূপ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। বালিটস্কি জানান, জরুরি পরিষেবা কর্মীরা ধ্বংসস্তূপ থেকে এক শিশুসহ দুইজনকে জীবিত উদ্ধার করেছেন। উদ্ধার অভিযান ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে।
গভর্নর বালিটস্কি টেলিগ্রামে এক বার্তায় বলেন, ‘শত্রুরা জানত এবং বুঝত তারা কাকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। কিয়েভ কর্তৃপক্ষ নৈতিকতার সব নিয়ম উপেক্ষা করে ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক মানুষ ও শিশুদের ধ্বংস করছে।’
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আরআইএ জানিয়েছে, রাশিয়ার তদন্ত কমিটি এই হামলার ঘটনায় একটি সন্ত্রাসবাদ মামলা দায়ের করেছে।
সূত্র : রয়টার্স
\

আপনার মতামত লিখুন