কুষ্টিয়ার কোর্ট রেলওয়ে স্টেশনে সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকিট পরীক্ষকের (টিটিই) বিরুদ্ধে বাবা ও ছেলেকে ছুরিকাঘাত করার অভিযোগে মামলা হয়েছে। অন্যদিকে ট্রেন ভাঙচুর, পুলিশের ওপর হামলা ও চলাচলে বাধা দেওয়ার অভিযোগে যাত্রীদের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে কোর্ট রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনের বগিতে ওঠাকে কেন্দ্র করে এই সহিংসতার ঘটনা ঘটে। সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে পোড়াদহ রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হুসাইন ও কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি কবির হোসেন মাতুব্বর মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ভুক্তভোগী আব্দুর রহিম বাদী হয়ে টিটিই আবদুল্লাহ আল মামুনকে আসামি করে পোড়াদহ রেলওয়ে থানায় মামলা করেছেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, আব্দুর রহিম তার অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে সুন্দরবন এক্সপ্রেসের নির্ধারিত বগিতে উঠতে না পেরে পাশের একটি বগিতে তোলার চেষ্টা করেন। এ সময় টিটিই মামুন তার স্ত্রীকে ধাক্কা দিলে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে মামুন ধারালো ছুরি দিয়ে আব্দুর রহিম ও তার ছেলে শফিউল আউয়ালকে আঘাত করে গুরুতর জগত করেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা প্রায় দেড় ঘণ্টা ট্রেন আটকে বিক্ষোভ করেন।
অন্যদিকে কুষ্টিয়া মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মলয় কুমার চক্রবর্তী বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। এই মামলায় আব্দুর রহিমের দুই ছেলে পলাশ ও শফিউলসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, শোভন শ্রেণির টিকিট নিয়ে যাত্রীরা এসি বগিতে ওঠার চেষ্টা করলে বাধা দেওয়া হয়। পরে ওই যাত্রীরা ট্রেন থামিয়ে ইঞ্জিন বন্ধ করে দেন এবং কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালান। এতে ওসিসহ চার পুলিশ সদস্য আহত হন।
পুলিশ এই মামলায় আব্দুর রহিমের দুই ছেলে পলাশ ও শফিউল এবং তাদের আত্মীয় মামুনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে। তবে আব্দুর রহিমের দাবি, তার স্ত্রী লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত। ভিড়ের কারণে দ্রুত তাকে ট্রেনে তুলতে গিয়েই অনাকাঙ্ক্ষিত এই ঘটনার সূত্রপাত। তিনি অভিযোগ করেন, উল্টো তাদের বিরুদ্ধেই পুলিশি কাজে বাধার মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত টিটিই আবদুল্লাহ আল মামুনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। রেলওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
/

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
কুষ্টিয়ার কোর্ট রেলওয়ে স্টেশনে সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকিট পরীক্ষকের (টিটিই) বিরুদ্ধে বাবা ও ছেলেকে ছুরিকাঘাত করার অভিযোগে মামলা হয়েছে। অন্যদিকে ট্রেন ভাঙচুর, পুলিশের ওপর হামলা ও চলাচলে বাধা দেওয়ার অভিযোগে যাত্রীদের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে কোর্ট রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনের বগিতে ওঠাকে কেন্দ্র করে এই সহিংসতার ঘটনা ঘটে। সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে পোড়াদহ রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হুসাইন ও কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি কবির হোসেন মাতুব্বর মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ভুক্তভোগী আব্দুর রহিম বাদী হয়ে টিটিই আবদুল্লাহ আল মামুনকে আসামি করে পোড়াদহ রেলওয়ে থানায় মামলা করেছেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, আব্দুর রহিম তার অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে সুন্দরবন এক্সপ্রেসের নির্ধারিত বগিতে উঠতে না পেরে পাশের একটি বগিতে তোলার চেষ্টা করেন। এ সময় টিটিই মামুন তার স্ত্রীকে ধাক্কা দিলে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে মামুন ধারালো ছুরি দিয়ে আব্দুর রহিম ও তার ছেলে শফিউল আউয়ালকে আঘাত করে গুরুতর জগত করেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা প্রায় দেড় ঘণ্টা ট্রেন আটকে বিক্ষোভ করেন।
অন্যদিকে কুষ্টিয়া মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মলয় কুমার চক্রবর্তী বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। এই মামলায় আব্দুর রহিমের দুই ছেলে পলাশ ও শফিউলসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, শোভন শ্রেণির টিকিট নিয়ে যাত্রীরা এসি বগিতে ওঠার চেষ্টা করলে বাধা দেওয়া হয়। পরে ওই যাত্রীরা ট্রেন থামিয়ে ইঞ্জিন বন্ধ করে দেন এবং কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালান। এতে ওসিসহ চার পুলিশ সদস্য আহত হন।
পুলিশ এই মামলায় আব্দুর রহিমের দুই ছেলে পলাশ ও শফিউল এবং তাদের আত্মীয় মামুনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে। তবে আব্দুর রহিমের দাবি, তার স্ত্রী লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত। ভিড়ের কারণে দ্রুত তাকে ট্রেনে তুলতে গিয়েই অনাকাঙ্ক্ষিত এই ঘটনার সূত্রপাত। তিনি অভিযোগ করেন, উল্টো তাদের বিরুদ্ধেই পুলিশি কাজে বাধার মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত টিটিই আবদুল্লাহ আল মামুনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। রেলওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
/

আপনার মতামত লিখুন