পূর্ব সুন্দরবনের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে তিন দিনব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবন (টোয়াস)। অভিযান চালিয়ে বন থেকে বিভিন্ন ধরনের পলিথিন, বোতল ও খাবারের প্যাকেটসহ ৯ বস্তা ক্ষতিকর প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) থেকে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত সুন্দরবনের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন স্পটে এ কার্যক্রম চালানো হয়। ব্যবসার পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় টোয়াসের এমন সামাজিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে বন বিভাগ ও স্থানীয় পরিবেশবাদীরা।
টোয়াস সূত্রে জানা যায়, দূষণমুক্ত পরিবেশে পর্যটকদের ভ্রমণের সুযোগ করে দিতে প্রতি বছরই পর্যটন মৌসুম শুরুর আগে তারা এই কর্মসূচি গ্রহণ করে। এবার সুন্দরবনের কটকা, জামতলা সি-বিচ, কচিখালী, ডিমেরচর এবং আন্ধারমানিক ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্রে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।
বন ও সাগরের জোয়ারে ভেসে আসা প্লাস্টিক বর্জ্য কুড়াচ্ছেন অংশগ্রহণকারীরা।
সোমবার সকালে কটকা থেকে শুরু হওয়া এই অভিযান বুধবার দুপুরে চাঁদপাই রেঞ্জের আন্ধারমানিকে গিয়ে শেষ হয়। এসময় সাগরের জোয়ারের পানিতে ভেসে বনে আটকে পড়া ক্ষতিকর সব প্লাস্টিক বর্জ্য কুড়িয়ে সংগ্রহ করেন অংশগ্রহণকারীরা।
টোয়াসের সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম কচি জানান, তিন দিনের পরিচ্ছন্নতা অভিযানে সুন্দরবনের পাঁচটি স্থান থেকে বিপুল পরিমাণ প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করে বড় আকারের ৯টি বস্তায় জমা করা হয়েছে। সংগৃহীত বর্জ্যগুলো খুলনা সিটি করপোরেশনের ডাম্পিং স্টেশনে প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য হস্তান্তর করা হবে। সংগঠনের ৬৫ জন সদস্য সরাসরি এ অভিযানে অংশ নেন। সুন্দরবন রক্ষায় আগামীতেও এমন কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন তিনি।
পূর্ব সুন্দরবন বাগেরহাটের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করীম চৌধুরী বলেন, সুন্দরবনের সুরক্ষা ও বর্জ্য মুক্ত রাখতে বনরক্ষীরা নিয়মিত কাজ করে থাকেন। এর পাশাপাশি টোয়াসের এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বন বিভাগের পক্ষ থেকে তাদের সার্বিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।
সুন্দরবন সহব্যবস্থাপনা কমিটির সহ-সভাপতি ফরিদ খান মিন্টু বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং পর্যটকদের মাঝে সচেতনতা বাড়াতে এমন সামাজিক উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পূর্ব সুন্দরবনের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে তিন দিনব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবন (টোয়াস)। অভিযান চালিয়ে বন থেকে বিভিন্ন ধরনের পলিথিন, বোতল ও খাবারের প্যাকেটসহ ৯ বস্তা ক্ষতিকর প্লাস্টিক বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) থেকে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত সুন্দরবনের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন স্পটে এ কার্যক্রম চালানো হয়। ব্যবসার পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় টোয়াসের এমন সামাজিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে বন বিভাগ ও স্থানীয় পরিবেশবাদীরা।
টোয়াস সূত্রে জানা যায়, দূষণমুক্ত পরিবেশে পর্যটকদের ভ্রমণের সুযোগ করে দিতে প্রতি বছরই পর্যটন মৌসুম শুরুর আগে তারা এই কর্মসূচি গ্রহণ করে। এবার সুন্দরবনের কটকা, জামতলা সি-বিচ, কচিখালী, ডিমেরচর এবং আন্ধারমানিক ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্রে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।
বন ও সাগরের জোয়ারে ভেসে আসা প্লাস্টিক বর্জ্য কুড়াচ্ছেন অংশগ্রহণকারীরা।
সোমবার সকালে কটকা থেকে শুরু হওয়া এই অভিযান বুধবার দুপুরে চাঁদপাই রেঞ্জের আন্ধারমানিকে গিয়ে শেষ হয়। এসময় সাগরের জোয়ারের পানিতে ভেসে বনে আটকে পড়া ক্ষতিকর সব প্লাস্টিক বর্জ্য কুড়িয়ে সংগ্রহ করেন অংশগ্রহণকারীরা।
টোয়াসের সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম কচি জানান, তিন দিনের পরিচ্ছন্নতা অভিযানে সুন্দরবনের পাঁচটি স্থান থেকে বিপুল পরিমাণ প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করে বড় আকারের ৯টি বস্তায় জমা করা হয়েছে। সংগৃহীত বর্জ্যগুলো খুলনা সিটি করপোরেশনের ডাম্পিং স্টেশনে প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য হস্তান্তর করা হবে। সংগঠনের ৬৫ জন সদস্য সরাসরি এ অভিযানে অংশ নেন। সুন্দরবন রক্ষায় আগামীতেও এমন কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন তিনি।
পূর্ব সুন্দরবন বাগেরহাটের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করীম চৌধুরী বলেন, সুন্দরবনের সুরক্ষা ও বর্জ্য মুক্ত রাখতে বনরক্ষীরা নিয়মিত কাজ করে থাকেন। এর পাশাপাশি টোয়াসের এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বন বিভাগের পক্ষ থেকে তাদের সার্বিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।
সুন্দরবন সহব্যবস্থাপনা কমিটির সহ-সভাপতি ফরিদ খান মিন্টু বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং পর্যটকদের মাঝে সচেতনতা বাড়াতে এমন সামাজিক উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন