সংবাদ

শ্যামনগরে পাচারের সময় ৫৭ বস্তা সার জব্দ


প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা
প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা
প্রকাশ: ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪০ পিএম

শ্যামনগরে পাচারের সময় ৫৭ বস্তা সার জব্দ
ছবি : সংবাদ

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নে অবৈধভাবে পাচারের সময় বিএডিসির ৫৭ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে ইউনিয়নের জয়াখালী চেয়ারম্যান বাড়ি মোড় এলাকা থেকে এই সার জব্দ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

কৈখালী ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিমের নেতৃত্বে সারগুলো জব্দ করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিএডিসির সার মূলত নিবন্ধিত ডিলারদের মাধ্যমে কৃষকদের পাওয়ার কথা। কিন্তু নিয়ম লঙ্ঘন করে কৈখালী ইউনিয়নের বোশখালী গ্রামের আমিনুর রহমান অন্য একজনের লাইসেন্স ব্যবহার করে সার উত্তোলন করে তা অন্য এলাকায় পাচার করছিলেন।

ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিম বলেন, ‘আমিনুর রহমানের নিজস্ব কোনো ডিলার লাইসেন্স নেই। তিনি সাতক্ষীরার রোজিনা খাতুনের ‘শাপলা এন্টারপ্রাইজ’ নামের লাইসেন্স ব্যবহার করে সার উত্তোলন করেন। সেই সার এই ইউনিয়নের কৃষকদের মাঝে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি না করে বেশি দামে অন্য ইউনিয়নে পাচারের সময় আমরা তা জব্দ করি।’

তিনি আরও জানান, এই অনিয়ম নিয়ে বারবার অভিযোগ করলেও আগে কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি।

জয়াখালী গ্রামের কৃষক হাফিজুর রহমান অভিযোগ করেন, ‘আমরা ডিলারের কাছে সার কিনতে গেলে শর্ত দেওয়া হয় যে সারের সঙ্গে বিষও (কীটনাশক) কিনতে হবে। এ কারণে বাধ্য হয়ে আমাদের বাইরে থেকে বেশি দামে সার কিনতে হয়।’

অভিযোগের বিষয়ে আমিনুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

শ্যামনগর উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা দেবাশীষ দাস বলেন, সার জব্দের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামসুজ্জাহান কনক বলেন, ‘বিষয়টি জানার পর কৃষি কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬


শ্যামনগরে পাচারের সময় ৫৭ বস্তা সার জব্দ

প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬

featured Image

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নে অবৈধভাবে পাচারের সময় বিএডিসির ৫৭ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে ইউনিয়নের জয়াখালী চেয়ারম্যান বাড়ি মোড় এলাকা থেকে এই সার জব্দ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

কৈখালী ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিমের নেতৃত্বে সারগুলো জব্দ করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিএডিসির সার মূলত নিবন্ধিত ডিলারদের মাধ্যমে কৃষকদের পাওয়ার কথা। কিন্তু নিয়ম লঙ্ঘন করে কৈখালী ইউনিয়নের বোশখালী গ্রামের আমিনুর রহমান অন্য একজনের লাইসেন্স ব্যবহার করে সার উত্তোলন করে তা অন্য এলাকায় পাচার করছিলেন।

ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিম বলেন, ‘আমিনুর রহমানের নিজস্ব কোনো ডিলার লাইসেন্স নেই। তিনি সাতক্ষীরার রোজিনা খাতুনের ‘শাপলা এন্টারপ্রাইজ’ নামের লাইসেন্স ব্যবহার করে সার উত্তোলন করেন। সেই সার এই ইউনিয়নের কৃষকদের মাঝে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি না করে বেশি দামে অন্য ইউনিয়নে পাচারের সময় আমরা তা জব্দ করি।’

তিনি আরও জানান, এই অনিয়ম নিয়ে বারবার অভিযোগ করলেও আগে কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি।

জয়াখালী গ্রামের কৃষক হাফিজুর রহমান অভিযোগ করেন, ‘আমরা ডিলারের কাছে সার কিনতে গেলে শর্ত দেওয়া হয় যে সারের সঙ্গে বিষও (কীটনাশক) কিনতে হবে। এ কারণে বাধ্য হয়ে আমাদের বাইরে থেকে বেশি দামে সার কিনতে হয়।’

অভিযোগের বিষয়ে আমিনুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

শ্যামনগর উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা দেবাশীষ দাস বলেন, সার জব্দের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামসুজ্জাহান কনক বলেন, ‘বিষয়টি জানার পর কৃষি কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত