মোবাইল ফোন চুরি বা ছিনতাই করে আর পার পাওয়ার সুযোগ নেই। আধুনিক প্রযুক্তির সুফল কাজে লাগিয়ে চুরি ও হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনের পাশাপাশি প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া অর্থও ফিরিয়ে দিচ্ছে পুলিশ।
২ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন)
সাইবার সিকিউরিটি সেল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উদ্ধার করা ৭৮টি মোবাইল ফোন সেট ও
নগদ অর্থ আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করেছে।
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় অবস্থিত
২ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মো. আল মামুনের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও নির্দেশনায়
এই সফল অভিযান পরিচালিত হয়। এপিবিএনের সাইবার ক্রাইম সেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মেসেঞ্জার,
হোয়াটসঅ্যাপ ও ই-মেইলে আসা অভিযোগ এবং দেশের বিভিন্ন থানার জিডি ট্র্যাকিং করে কাজ
শুরু করে।
প্রযুক্তির সহায়তায় রাজধানীর বিভিন্ন
এলাকাসহ দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহ এবং সিডিআর (কল ডিটেইল রেকর্ড) অ্যানালাইসিস করে চলতি
জুলাই মাসে ৭৮টি স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মোবাইলগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য
২৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা। এছাড়া ভুলবশত অন্য বিকাশ নম্বরে চলে যাওয়া ২৫ হাজার টাকাও উদ্ধার
করে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, মানিকগঞ্জ,
ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, জামালপুর, নাটোর, পটুয়াখালী, শরীয়তপুর, চাঁদপুর, গাজীপুর
ও রাজশাহীর বিভিন্ন থানায় হওয়া ৭৮টি জিডির সূত্র ধরে এসব ফোন উদ্ধার করা হয়। চুরি ও
হারিয়ে যাওয়া ফোন আবার হাতে পেয়ে ভূক্তভোগীরা দারুণ আনন্দ প্রকাশ করেছেন।
মোবাইল ফিরে পেয়ে অনেকেই জানান,
মোবাইল হারিয়ে গেলে অনেকে ঝামেলা এড়াতে থানায় শুধু একটি জিডি করেই ক্ষান্ত হন এবং নতুন
সিম তুলে নেন। ফোন আর ফিরে পাওয়া যাবে না—এমন ধারণাই তৈরি হয়েছিল। কিন্তু এপিবিএনের
এই উদ্যোগে সাধারণ মানুষের ভরসা অনেক বেড়েছে।
অভিযান প্রসঙ্গে ২ এপিবিএনের অধিনায়ক
(অতিরিক্ত ডিআইজি) মো. আল মামুন জানান, দেশের যেকোনো প্রান্তেই মোবাইল চুরি বা ছিনতাই
হোক না কেন, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারে তা উদ্ধার করা সম্ভব। সাধারণ মানুষের মুখে হাসি
ফোটাতে তাদের সাইবার টিম নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং এই ধরনের উদ্ধার অভিযান ভবিষ্যতেও
অব্যাহত থাকবে।
এর আগেও ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার ২-আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের বিশেষ টিম সারাদেশে সফল অভিযান চালিয়ে শত শত হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন সেট উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে বুঝিয়ে দিয়েছে। একের পর এক উদ্ধার সাফল্যের কারণে সাধারণ ভুক্তভোগীরা এখন জিডি করেই এপিবিএনের সাথে যোগাযোগ করছেন।

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
মোবাইল ফোন চুরি বা ছিনতাই করে আর পার পাওয়ার সুযোগ নেই। আধুনিক প্রযুক্তির সুফল কাজে লাগিয়ে চুরি ও হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনের পাশাপাশি প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া অর্থও ফিরিয়ে দিচ্ছে পুলিশ।
২ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন)
সাইবার সিকিউরিটি সেল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উদ্ধার করা ৭৮টি মোবাইল ফোন সেট ও
নগদ অর্থ আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করেছে।
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় অবস্থিত
২ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মো. আল মামুনের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও নির্দেশনায়
এই সফল অভিযান পরিচালিত হয়। এপিবিএনের সাইবার ক্রাইম সেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মেসেঞ্জার,
হোয়াটসঅ্যাপ ও ই-মেইলে আসা অভিযোগ এবং দেশের বিভিন্ন থানার জিডি ট্র্যাকিং করে কাজ
শুরু করে।
প্রযুক্তির সহায়তায় রাজধানীর বিভিন্ন
এলাকাসহ দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহ এবং সিডিআর (কল ডিটেইল রেকর্ড) অ্যানালাইসিস করে চলতি
জুলাই মাসে ৭৮টি স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মোবাইলগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য
২৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা। এছাড়া ভুলবশত অন্য বিকাশ নম্বরে চলে যাওয়া ২৫ হাজার টাকাও উদ্ধার
করে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, মানিকগঞ্জ,
ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, জামালপুর, নাটোর, পটুয়াখালী, শরীয়তপুর, চাঁদপুর, গাজীপুর
ও রাজশাহীর বিভিন্ন থানায় হওয়া ৭৮টি জিডির সূত্র ধরে এসব ফোন উদ্ধার করা হয়। চুরি ও
হারিয়ে যাওয়া ফোন আবার হাতে পেয়ে ভূক্তভোগীরা দারুণ আনন্দ প্রকাশ করেছেন।
মোবাইল ফিরে পেয়ে অনেকেই জানান,
মোবাইল হারিয়ে গেলে অনেকে ঝামেলা এড়াতে থানায় শুধু একটি জিডি করেই ক্ষান্ত হন এবং নতুন
সিম তুলে নেন। ফোন আর ফিরে পাওয়া যাবে না—এমন ধারণাই তৈরি হয়েছিল। কিন্তু এপিবিএনের
এই উদ্যোগে সাধারণ মানুষের ভরসা অনেক বেড়েছে।
অভিযান প্রসঙ্গে ২ এপিবিএনের অধিনায়ক
(অতিরিক্ত ডিআইজি) মো. আল মামুন জানান, দেশের যেকোনো প্রান্তেই মোবাইল চুরি বা ছিনতাই
হোক না কেন, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারে তা উদ্ধার করা সম্ভব। সাধারণ মানুষের মুখে হাসি
ফোটাতে তাদের সাইবার টিম নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং এই ধরনের উদ্ধার অভিযান ভবিষ্যতেও
অব্যাহত থাকবে।
এর আগেও ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার ২-আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের বিশেষ টিম সারাদেশে সফল অভিযান চালিয়ে শত শত হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন সেট উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে বুঝিয়ে দিয়েছে। একের পর এক উদ্ধার সাফল্যের কারণে সাধারণ ভুক্তভোগীরা এখন জিডি করেই এপিবিএনের সাথে যোগাযোগ করছেন।

আপনার মতামত লিখুন