চট্টগ্রাম-২ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীরের দায়িত্ব পালনে আর কোনো আইনি বাধা নেই। তার সংসদ সদস্য পদের ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে করা একটি আবেদন বুধবার (২৯ জুলাই) কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ৪ সদস্যের আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে সরোয়ার আলমগীরের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন ও সংসদ অধিবেশনে যোগ দেওয়া বৈধ বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা ঋণখেলাপির অভিযোগে বাতিল করেছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পরে হাইকোর্টে রিট করে প্রার্থিতা ফিরে পান তিনি। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তিনি জয়ী হলেও আইনি জটিলতায় ফলাফল স্থগিত ছিল। গত ৯ জুলাই হাইকোর্ট তার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করলে ইসি তাকে বিজয়ী ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে। এরপর তিনি স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে শপথ গ্রহণ করেন।
হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেছিলেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর নুরুল আমীন। তিনি সরোয়ারের দায়িত্ব পালনের ওপর অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা চেয়েছিলেন। তবে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হওয়ায় নুরুল আমিনের আগের আবেদনটি কার্যকারিতা হারিয়েছে। এ কারণে আদালত আবেদনটি তালিকা থেকে বাদ দেন। তবে নুরুল আমীন এখন নিয়মিত ‘লিভ টু আপিল’ করার সুযোগ পাবেন।
সরোয়ার আলমগীরের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন ও অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম। নুরুল আমিনের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।
\

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
চট্টগ্রাম-২ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীরের দায়িত্ব পালনে আর কোনো আইনি বাধা নেই। তার সংসদ সদস্য পদের ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে করা একটি আবেদন বুধবার (২৯ জুলাই) কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ৪ সদস্যের আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে সরোয়ার আলমগীরের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন ও সংসদ অধিবেশনে যোগ দেওয়া বৈধ বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা ঋণখেলাপির অভিযোগে বাতিল করেছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পরে হাইকোর্টে রিট করে প্রার্থিতা ফিরে পান তিনি। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তিনি জয়ী হলেও আইনি জটিলতায় ফলাফল স্থগিত ছিল। গত ৯ জুলাই হাইকোর্ট তার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করলে ইসি তাকে বিজয়ী ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে। এরপর তিনি স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে শপথ গ্রহণ করেন।
হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেছিলেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর নুরুল আমীন। তিনি সরোয়ারের দায়িত্ব পালনের ওপর অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা চেয়েছিলেন। তবে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হওয়ায় নুরুল আমিনের আগের আবেদনটি কার্যকারিতা হারিয়েছে। এ কারণে আদালত আবেদনটি তালিকা থেকে বাদ দেন। তবে নুরুল আমীন এখন নিয়মিত ‘লিভ টু আপিল’ করার সুযোগ পাবেন।
সরোয়ার আলমগীরের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন ও অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম। নুরুল আমিনের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।
\

আপনার মতামত লিখুন