চাঁদপুরের স্থানীয় দৈনিকসহ দেশের অন্যান্য সংবাদপত্রের আধুনিকায়ন, মানোন্নয়ন ও টেকসই বিকাশের লক্ষ্যে বিদ্যমান ‘ছাপাখানা ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধীকরণ) আইন, ১৯৭৩’ সংশোধনের দাবি জানিয়েছে চাঁদপুর প্রেস ক্লাব।
প্রেস ক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী চাঁদপুর-৩ (সদর ও হাইমচর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিকের মাধ্যমে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার (মন্ত্রণালয়) কাছে আইনটি সংশোধনক্রমে যুগোপযোগী করার আবেদন জানিয়েছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান গত ২৬ আগস্ট আবেদনটি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন।
এর আগে গত ১১ আগস্ট স্থানীয় সম্পাদক ও প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়। আবেদনে ১৯৭৩ সালের ছাপাখানা ও প্রকাশনা আইনের ৭ ধারাসহ সংশ্লিষ্ট ধারা সংশোধন, সংযোজন অথবা প্রয়োজনে নতুন আইন প্রণয়নের অনুরোধ জানানো হয়।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিদ্যমান আইনের ৭ ধারা অনুযায়ী ডিক্লারেশনপ্রাপ্ত সংবাদপত্রকে সংশ্লিষ্ট জেলা থেকেই মুদ্রণ ও প্রকাশের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে আধুনিক প্রযুক্তি ও গণমাধ্যমের পরিবর্তিত বাস্তবতায় এ বিধান অনেকটাই অসামঞ্জস্যপূর্ণ। বর্তমানে চাঁদপুর থেকে ২২টি দৈনিকের পাশাপাশি একাধিক সাপ্তাহিক ও পাক্ষিক পত্রিকা প্রকাশিত হচ্ছে। তবে জেলায় আধুনিক অফসেট প্রেস সুবিধা অপ্রতুল হওয়ায় এবং মানসম্মত ছাপা না হওয়া সত্ত্বেও উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় স্থানীয় পত্রিকাগুলো টিকে থাকার কঠিন লড়াই চালাচ্ছে।
অন্যদিকে, রাজধানী ঢাকায় আধুনিক মুদ্রণ প্রযুক্তি, উন্নত ছাপাখানা ও কম খরচে দ্রুত সেবার সুবিধা রয়েছে। নিজ জেলার বাইরে দেশের যেকোনো নিবন্ধিত বা অনুমোদিত আধুনিক ছাপাখানা থেকে পত্রিকা মুদ্রণের আইনি সুযোগ দেওয়া হলে সংবাদপত্রের মান ও পাঠকের কাছে এর গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রকাশনা ব্যয় কমে আসবে।
প্রেস ক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী বলেন, আইনি সীমাবদ্ধতার কারণে জেলাভিত্তিক সংবাদপত্রগুলো আধুনিক সুবিধা থেকে পিছিয়ে পড়ছে এবং জাতীয় পত্রিকার সঙ্গে অসম প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হচ্ছে। চাঁদপুর থেকে উত্থাপিত হলেও এটি বস্তুত সারা দেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রতিটি স্থানীয় পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশকদের প্রাণের দাবি।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চাঁদপুরের স্থানীয় দৈনিকসহ দেশের অন্যান্য সংবাদপত্রের আধুনিকায়ন, মানোন্নয়ন ও টেকসই বিকাশের লক্ষ্যে বিদ্যমান ‘ছাপাখানা ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধীকরণ) আইন, ১৯৭৩’ সংশোধনের দাবি জানিয়েছে চাঁদপুর প্রেস ক্লাব।
প্রেস ক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী চাঁদপুর-৩ (সদর ও হাইমচর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিকের মাধ্যমে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার (মন্ত্রণালয়) কাছে আইনটি সংশোধনক্রমে যুগোপযোগী করার আবেদন জানিয়েছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান গত ২৬ আগস্ট আবেদনটি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন।
এর আগে গত ১১ আগস্ট স্থানীয় সম্পাদক ও প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়। আবেদনে ১৯৭৩ সালের ছাপাখানা ও প্রকাশনা আইনের ৭ ধারাসহ সংশ্লিষ্ট ধারা সংশোধন, সংযোজন অথবা প্রয়োজনে নতুন আইন প্রণয়নের অনুরোধ জানানো হয়।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিদ্যমান আইনের ৭ ধারা অনুযায়ী ডিক্লারেশনপ্রাপ্ত সংবাদপত্রকে সংশ্লিষ্ট জেলা থেকেই মুদ্রণ ও প্রকাশের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে আধুনিক প্রযুক্তি ও গণমাধ্যমের পরিবর্তিত বাস্তবতায় এ বিধান অনেকটাই অসামঞ্জস্যপূর্ণ। বর্তমানে চাঁদপুর থেকে ২২টি দৈনিকের পাশাপাশি একাধিক সাপ্তাহিক ও পাক্ষিক পত্রিকা প্রকাশিত হচ্ছে। তবে জেলায় আধুনিক অফসেট প্রেস সুবিধা অপ্রতুল হওয়ায় এবং মানসম্মত ছাপা না হওয়া সত্ত্বেও উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় স্থানীয় পত্রিকাগুলো টিকে থাকার কঠিন লড়াই চালাচ্ছে।
অন্যদিকে, রাজধানী ঢাকায় আধুনিক মুদ্রণ প্রযুক্তি, উন্নত ছাপাখানা ও কম খরচে দ্রুত সেবার সুবিধা রয়েছে। নিজ জেলার বাইরে দেশের যেকোনো নিবন্ধিত বা অনুমোদিত আধুনিক ছাপাখানা থেকে পত্রিকা মুদ্রণের আইনি সুযোগ দেওয়া হলে সংবাদপত্রের মান ও পাঠকের কাছে এর গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রকাশনা ব্যয় কমে আসবে।
প্রেস ক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী বলেন, আইনি সীমাবদ্ধতার কারণে জেলাভিত্তিক সংবাদপত্রগুলো আধুনিক সুবিধা থেকে পিছিয়ে পড়ছে এবং জাতীয় পত্রিকার সঙ্গে অসম প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হচ্ছে। চাঁদপুর থেকে উত্থাপিত হলেও এটি বস্তুত সারা দেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রতিটি স্থানীয় পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশকদের প্রাণের দাবি।

আপনার মতামত লিখুন