নওগাঁর সাপাহার উপজেলার ধবলডাঙ্গা গ্রামে লিজ নেওয়া একটি মাছের পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ২০ মণ মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন পুকুরের লিজগ্রহীতা সাহেব উদ্দিন। এ ঘটনায় প্রতিবেশী কয়েকজনের বিরুদ্ধে সাপাহার থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি।
ভুক্তভোগী সাহেব উদ্দিন ধবলডাঙ্গা গ্রামের উসমান গণির ছেলে। তিনি জানান, একই গ্রামের নুরুল, মোদাচ্ছেরসহ চারজনের শরিকানাধীন ৬৫ শতক আয়তনের একটি পুকুর তিন বছর আগে লিজ নেন তিনি। সেখানে রুই, কাতলা, মৃগেলসহ বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির মাছ চাষ করে আসছিলেন।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাত ১১টার দিকে পূর্বশত্রুতার জের ধরে দুর্বৃত্তরা পুকুরে কীটনাশক (বিষ) প্রয়োগ করে। পরদিন সকালে পুকুরে বিপুল পরিমাণ মাছ মরে ভেসে উঠতে দেখেন সাহেব উদ্দিন। এতে তার ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি জানান।
সাহেব উদ্দিনের দাবি, ঘটনার আগের রাতে দোকানের বকেয়া টাকা নিয়ে একই গ্রামের ইব্রাহিম হোসেনের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। ওই বিরোধের জেরেই পুকুরে বিষ প্রয়োগ করা হতে পারে বলে তার সন্দেহ। এ ঘটনায় আনোয়ারুল ইসলাম, রুবেল ও ইব্রাহিম হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫ থেকে ৭ জনকে অভিযুক্ত করে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন তিনি।
তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ইব্রাহিম হোসেনের বাবা আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘বকেয়া টাকা নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল সত্য, তবে আমার ছেলে ওই সময় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিল। মাছ নিধনের ঘটনার সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।’
সাপাহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
আপনার মতামত লিখুন