ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পদত্যাগ করেছেন–সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন একটি চিঠিকে ‘ভুয়া ও ভিত্তিহীন’ বলে জানিয়েছে ভারত সরকার। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দিনভর মোদির স্বাক্ষর সংবলিত এই পদত্যাগপত্রটি ভাইরাল হলে নেটদুনিয়ায় তীব্র বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশটির সরকারি তথ্য সংস্থা প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি) বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করেছে।
ভাইরাল হওয়া ওই চিঠিতে দাবি করা হয়েছিল, ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক দায়ভার গ্রহণ করে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। চিঠিতে ভারতের জাতীয় প্রতীক অশোক চক্র ও মোদির সইয়ের মতো একটি চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছিল। কোনো যাচাই-বাছাই ছাড়াই অনেক ব্যবহারকারী এটি শেয়ার করতে শুরু করেন।
পিআইবি তাদের ফ্যাক্টচেক ইউনিটের মাধ্যমে জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী এমন কোনো চিঠিতে স্বাক্ষর করেননি বা লেখেননি। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া চিঠিটি সম্পূর্ণ বানোয়াট। এ ধরনের তথ্য শেয়ার করার আগে সরকারি উৎসের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।
এর আগে গত বুধবার মোদির একটি ভুয়া ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) দিয়ে তৈরি ওই ভিডিওতে প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হুমকি দিতে দেখা গিয়েছিল তাকে। সেটিও ভুয়া বলে নিশ্চিত করেছিল পিআইবি।
এদিকে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, বিভ্রান্তিকর এসব তথ্য ছড়ানোর পেছনে পাকিস্তানের একাধিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উসকানি দেওয়াই এসব অ্যাকাউন্টের মূল উদ্দেশ্য বলে মনে করছে পুলিশ। এ ধরনের এডিট করা ভিডিও বা ভুয়া পোস্টে কান না দিতে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করা হয়েছে।
/

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পদত্যাগ করেছেন–সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন একটি চিঠিকে ‘ভুয়া ও ভিত্তিহীন’ বলে জানিয়েছে ভারত সরকার। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দিনভর মোদির স্বাক্ষর সংবলিত এই পদত্যাগপত্রটি ভাইরাল হলে নেটদুনিয়ায় তীব্র বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশটির সরকারি তথ্য সংস্থা প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি) বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করেছে।
ভাইরাল হওয়া ওই চিঠিতে দাবি করা হয়েছিল, ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক দায়ভার গ্রহণ করে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। চিঠিতে ভারতের জাতীয় প্রতীক অশোক চক্র ও মোদির সইয়ের মতো একটি চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছিল। কোনো যাচাই-বাছাই ছাড়াই অনেক ব্যবহারকারী এটি শেয়ার করতে শুরু করেন।
পিআইবি তাদের ফ্যাক্টচেক ইউনিটের মাধ্যমে জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী এমন কোনো চিঠিতে স্বাক্ষর করেননি বা লেখেননি। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া চিঠিটি সম্পূর্ণ বানোয়াট। এ ধরনের তথ্য শেয়ার করার আগে সরকারি উৎসের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।
এর আগে গত বুধবার মোদির একটি ভুয়া ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) দিয়ে তৈরি ওই ভিডিওতে প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হুমকি দিতে দেখা গিয়েছিল তাকে। সেটিও ভুয়া বলে নিশ্চিত করেছিল পিআইবি।
এদিকে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, বিভ্রান্তিকর এসব তথ্য ছড়ানোর পেছনে পাকিস্তানের একাধিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উসকানি দেওয়াই এসব অ্যাকাউন্টের মূল উদ্দেশ্য বলে মনে করছে পুলিশ। এ ধরনের এডিট করা ভিডিও বা ভুয়া পোস্টে কান না দিতে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করা হয়েছে।
/

আপনার মতামত লিখুন