বান্দরবানের মেঘলা পর্যটন এলাকায় বাল্ব কেনাকে কেন্দ্র করে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে মো. রফিক (২৬) নামে এক ক্রেতা গুরুতর আহত হয়েছেন। এ সময় উত্তেজিত জনতা একটি দোকানে ভাঙচুর চালায়।
সোমবার (৩০ মার্চ) রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহত রফিক মেঘলার তালুকদারপাড়ার বাসিন্দা সৈয়দ কাসেমের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মেঘলা পর্যটন এলাকার ‘মা স্টোর’ নামে একটি দোকান থেকে বাল্ব কেনা নিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় বিক্রেতার ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রফিকের মাথা ফেটে গুরুতর জখম হয়।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত বান্দরবান সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ কিছু লোকজন দোকানটিতে ভাঙচুর চালায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বর্তমানে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ পারভেজ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
বান্দরবানের মেঘলা পর্যটন এলাকায় বাল্ব কেনাকে কেন্দ্র করে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে মো. রফিক (২৬) নামে এক ক্রেতা গুরুতর আহত হয়েছেন। এ সময় উত্তেজিত জনতা একটি দোকানে ভাঙচুর চালায়।
সোমবার (৩০ মার্চ) রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহত রফিক মেঘলার তালুকদারপাড়ার বাসিন্দা সৈয়দ কাসেমের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মেঘলা পর্যটন এলাকার ‘মা স্টোর’ নামে একটি দোকান থেকে বাল্ব কেনা নিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় বিক্রেতার ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রফিকের মাথা ফেটে গুরুতর জখম হয়।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত বান্দরবান সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ কিছু লোকজন দোকানটিতে ভাঙচুর চালায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বর্তমানে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ পারভেজ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন