জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দায়ের করা মামলায় জেলা ছাত্রদল সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগনসহ ১১ নেতাকর্মী জামিন পেয়েছেন।
রবিবার
(২ আগস্ট) হবিগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল মান্নান তাদের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।
এর আগে সকালে আসামিরা
আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিনের আবেদন
জানান। শুনানি শেষে আদালত তাদের
জামিন মঞ্জুর করেন। আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করে আসামিপক্ষের আইনজীবী
কুতুব উদ্দিন জুয়েল বলেন, "মামলায় ঘটনার সময়, তারিখ ও
স্থান উল্লেখ নেই। আসামিদের বিরুদ্ধেও
কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগের উল্লেখ নেই। বিষয়গুলো আদালতকে
পুনর্বিবেচনা করতে বলা হলে
বিচারক যৌক্তিক মনে করে জামিন
আবেদন মঞ্জুর করেছেন।"
জামিন
পাওয়ার পর আইনের শাসনের
প্রতি নিজেদের আস্থা প্রকাশ করে হবিগঞ্জ জেলা
ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ
রিংগন বলেন, "আমরা আইনের প্রতি
শ্রদ্ধাশীল। তাই আমরা আইননি
প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আদালতে জামিন
আবেদন করেছিলাম। আদালত শুনানি শেষে জামিন আবেদন
মঞ্জুর করেছেন।"
মামলা
ও আদালত সূত্রে জানা যায়, গত
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) হবিগঞ্জের
আজমিরীগঞ্জ ও জেলা শহরে
এনসিপির দিনব্যাপী কেন্দ্রীয় কর্মসূচি ছিল। সমাবেশকালে এনসিপি
নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমান এবং জাতীয় সংসদের
হুইপ জি কে গউছসহ
কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে কটাক্ষ করে
বক্তব্য দেন বলে অভিযোগ
ওঠে। ওই দিন সন্ধ্যায়
সমাবেশ শেষ করে পাটওয়ারী
এবং দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম সার্কিট হাউজের
উদ্দেশে রওয়ানা দেন।
পথে
কোর্ট মসজিদের সামনে পৌঁছালে একদল যুবক তাদের
গাড়িবহরে হামলা চালিয়ে ব্যাপকভাবে ভাঙচুর চালায়। এ সময় সারজিস
আলমসহ নেতাকর্মীরা আত্মরক্ষার্থে কাছের সোনালী ব্যাংকের প্রধান শাখায় গিয়ে আশ্রয় নেন।
পরবর্তীতে দুই পক্ষের মধ্যে
ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত
হন।
এই সংঘাতের ঘটনার পরের দিন রাতে
এনসিপির ছাত্রসংগঠন জেলা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক
তন্ময় তাহের রুবেল বাদী হয়ে হবিগঞ্জ
সদর মডেল থানায় একটি
মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় জেলা
ছাত্রদল সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ
রিংগনসহ ১১ জন নেতাকর্মীর
নাম উল্লেখ করে আসামি করা
হয়েছিল।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দায়ের করা মামলায় জেলা ছাত্রদল সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগনসহ ১১ নেতাকর্মী জামিন পেয়েছেন।
রবিবার
(২ আগস্ট) হবিগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল মান্নান তাদের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।
এর আগে সকালে আসামিরা
আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিনের আবেদন
জানান। শুনানি শেষে আদালত তাদের
জামিন মঞ্জুর করেন। আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করে আসামিপক্ষের আইনজীবী
কুতুব উদ্দিন জুয়েল বলেন, "মামলায় ঘটনার সময়, তারিখ ও
স্থান উল্লেখ নেই। আসামিদের বিরুদ্ধেও
কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগের উল্লেখ নেই। বিষয়গুলো আদালতকে
পুনর্বিবেচনা করতে বলা হলে
বিচারক যৌক্তিক মনে করে জামিন
আবেদন মঞ্জুর করেছেন।"
জামিন
পাওয়ার পর আইনের শাসনের
প্রতি নিজেদের আস্থা প্রকাশ করে হবিগঞ্জ জেলা
ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ
রিংগন বলেন, "আমরা আইনের প্রতি
শ্রদ্ধাশীল। তাই আমরা আইননি
প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আদালতে জামিন
আবেদন করেছিলাম। আদালত শুনানি শেষে জামিন আবেদন
মঞ্জুর করেছেন।"
মামলা
ও আদালত সূত্রে জানা যায়, গত
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) হবিগঞ্জের
আজমিরীগঞ্জ ও জেলা শহরে
এনসিপির দিনব্যাপী কেন্দ্রীয় কর্মসূচি ছিল। সমাবেশকালে এনসিপি
নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমান এবং জাতীয় সংসদের
হুইপ জি কে গউছসহ
কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে কটাক্ষ করে
বক্তব্য দেন বলে অভিযোগ
ওঠে। ওই দিন সন্ধ্যায়
সমাবেশ শেষ করে পাটওয়ারী
এবং দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম সার্কিট হাউজের
উদ্দেশে রওয়ানা দেন।
পথে
কোর্ট মসজিদের সামনে পৌঁছালে একদল যুবক তাদের
গাড়িবহরে হামলা চালিয়ে ব্যাপকভাবে ভাঙচুর চালায়। এ সময় সারজিস
আলমসহ নেতাকর্মীরা আত্মরক্ষার্থে কাছের সোনালী ব্যাংকের প্রধান শাখায় গিয়ে আশ্রয় নেন।
পরবর্তীতে দুই পক্ষের মধ্যে
ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত
হন।
এই সংঘাতের ঘটনার পরের দিন রাতে
এনসিপির ছাত্রসংগঠন জেলা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক
তন্ময় তাহের রুবেল বাদী হয়ে হবিগঞ্জ
সদর মডেল থানায় একটি
মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় জেলা
ছাত্রদল সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ
রিংগনসহ ১১ জন নেতাকর্মীর
নাম উল্লেখ করে আসামি করা
হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন