সংবাদ

সিলেটে রিসোর্টে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, সিলেট
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, সিলেট
প্রকাশ: ৩ আগস্ট ২০২৬, ০৭:১৫ পিএম

সিলেটে রিসোর্টে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ
ছবি : ভিডিও থেকে সংগৃহীত

সিলেটের খাদিমপাড়া এলাকায় ‘এক্সেলসিয়র সিলেট হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট’-এ সশস্ত্র হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনার চার দিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত মামলা নেয়নি পুলিশ। এমনকি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সামনে হামলাকারীরা উপস্থিত থাকলেও তাদের কাউকে আটক করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে।

রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, গত শুক্রবার বিকেলে স্থানীয় শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক সশস্ত্র ব্যক্তি রিসোর্টে হামলা চালান। কয়েক ঘণ্টা ধরে চলা এই তাণ্ডবে রিসোর্টের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও মালামাল লুট করা হয়। খবর পেয়ে সিলেট মহানগর পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মোহাম্মদ এনামুল হকের নেতৃত্বে শতাধিক পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে পৌঁছান। কিন্তু পুলিশের উপস্থিতিতেও হামলাকারীদের দমানো বা আটকের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।

রিসোর্ট পরিচালনা কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের অর্থায়নে গড়ে ওঠা এই প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে পরিচালনা করছেন সিলেট জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রাহাত চৌধুরী মুন্না। কয়েক মাস আগে বিনিয়োগকারীরা স্ট্যাম্পের মাধ্যমে তাকে রিসোর্ট পরিচালনার দায়িত্ব দেন। এর আগে এই রিসোর্টের নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে কর্মরত ছিলেন অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম। তবে প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের মৃত্যুর পর তিনি চলে যান এবং একটি প্রভাবশালী চক্রের মদদে রিসোর্টটি দখলের পায়তারা শুরু করেন। এর আগেও তার বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগে মামলা হয়েছিল।

রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, শুক্রবার রাতেই শাহপরান থানায় একটি এজাহার দাখিল করা হয়েছে। তবে রহস্যজনক কারণে পুলিশ সেটি এখনো মামলা হিসেবে রেকর্ড করেনি। এমনকি এজাহারে নাম থাকা ব্যক্তিরা পুলিশের সামনে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও তাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। মহানগর পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মোহাম্মদ এনামুল হকের উপস্থিতিতেও কেন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

রিসোর্টের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তারা দ্রুত মামলা গ্রহণ এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬


সিলেটে রিসোর্টে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

সিলেটের খাদিমপাড়া এলাকায় ‘এক্সেলসিয়র সিলেট হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট’-এ সশস্ত্র হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনার চার দিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত মামলা নেয়নি পুলিশ। এমনকি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সামনে হামলাকারীরা উপস্থিত থাকলেও তাদের কাউকে আটক করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে।

রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, গত শুক্রবার বিকেলে স্থানীয় শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক সশস্ত্র ব্যক্তি রিসোর্টে হামলা চালান। কয়েক ঘণ্টা ধরে চলা এই তাণ্ডবে রিসোর্টের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও মালামাল লুট করা হয়। খবর পেয়ে সিলেট মহানগর পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মোহাম্মদ এনামুল হকের নেতৃত্বে শতাধিক পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে পৌঁছান। কিন্তু পুলিশের উপস্থিতিতেও হামলাকারীদের দমানো বা আটকের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।

রিসোর্ট পরিচালনা কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের অর্থায়নে গড়ে ওঠা এই প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে পরিচালনা করছেন সিলেট জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রাহাত চৌধুরী মুন্না। কয়েক মাস আগে বিনিয়োগকারীরা স্ট্যাম্পের মাধ্যমে তাকে রিসোর্ট পরিচালনার দায়িত্ব দেন। এর আগে এই রিসোর্টের নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে কর্মরত ছিলেন অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম। তবে প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের মৃত্যুর পর তিনি চলে যান এবং একটি প্রভাবশালী চক্রের মদদে রিসোর্টটি দখলের পায়তারা শুরু করেন। এর আগেও তার বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগে মামলা হয়েছিল।

রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, শুক্রবার রাতেই শাহপরান থানায় একটি এজাহার দাখিল করা হয়েছে। তবে রহস্যজনক কারণে পুলিশ সেটি এখনো মামলা হিসেবে রেকর্ড করেনি। এমনকি এজাহারে নাম থাকা ব্যক্তিরা পুলিশের সামনে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও তাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। মহানগর পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মোহাম্মদ এনামুল হকের উপস্থিতিতেও কেন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

রিসোর্টের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তারা দ্রুত মামলা গ্রহণ এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত